• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকতে পারেন, আলোচনায় খালিদ মাহমুদ-আজমতউল্লাহ খান, সরকার ও দল পৃথক নেতা দিয়ে চালানোর পরিকল্পনা


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকতে পারেন, আলোচনায় খালিদ মাহমুদ-আজমতউল্লাহ খান, সরকার ও দল পৃথক নেতা দিয়ে চালানোর পরিকল্পনা

আমাদের নতুন সময় : 12/12/2019

বাশার নূরু: আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলে কে হচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার আচরণ বা কথাবার্তা থেকেও এবার এখনো পর্যন্ত কোন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। তবে শেখ হাসিনা যাকেই সাধারণ সম্পাদক করবেন, তাকে সবাই মেনে নেবেন- এমন কথাই বলছেন নেতারা। আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আবারও এই পদে নির্বাচিত হতে পারেন এমন আলোচনাই বেশি হচ্ছে। আবার এ পদে তার না থাকার যুক্তিও আলোচিত হচ্ছে। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। পদ্মাসেতু, মেট্টোরেলসহ একাধিক মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে এখন। একই সঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি বিবেচনা করে ওবায়দুল কাদেরকে দুই পদের যে কোনো একটিতে দেখা যেতে পারে।

ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর নাম। পরিছন্ন ও সার্বক্ষণিক রাজনীতিক হিসেবে সুনাম রয়েছে তার। তা ছাড়া রংপুর বিভাগ থেকে সাধারণ সম্পাদক পাওয়ারও দাবি উঠেছে। ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় রাজনীতি থেকে উঠে আসা খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন রংপুর বিভাগের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছেন দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজমতউল্লাহ খান। টঙ্গী পৌরসভার একাধিক বার মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন আজমতউল্লাহ। তাকে দলের সাধারণ সম্পাদক করে শেখ হাসিনা একটা চমক দিতে পারেন এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান ও মাহাবুব উল আলম হানিফের মত নেতারাও।
জানা গেছে, সরকার ও দলীয় কার্যক্রম পৃথক নেতা দিয়ে চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। শোনা গেছে, মন্ত্রিসভায় ও দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এমন এক নেতাকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞাসাও করেছেন যে, তিনি দলে থাকবেন, নাকি মন্ত্রিসভায়? তখন ঐ নেতা মন্ত্রিসভায় থাকার ইচ্ছা পোষণ করেন। বর্তমান মন্ত্রিসভার ৯ জন সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন পদে আছেন।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় ফোরামের একাধিক আলোচনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাধারণ আত্মত্যাগের ইতিহাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ত্যাগের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ দল ছাড়ে মন্ত্রিত্বের লোভে। আর জাতির পিতা মন্ত্রিত্ব ছেড়েছিলেন দলকে সংগঠিত করার জন্য। বাংলাদেশের পদলোভী রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিরল এই কাজটি বাস্তবিকই করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। সম্পাদনা: মাসুদ কামাল।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]