• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছু থাকবে না, সান্ধ্যকালীন কোর্স প্রসঙ্গে ঢাবি ভিসি


একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছু থাকবে না, সান্ধ্যকালীন কোর্স প্রসঙ্গে ঢাবি ভিসি

আমাদের নতুন সময় : 12/12/2019

 

শফিক ইসলাম: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সান্ধ্যাকালীন কোর্স চালু থাকায় অসন্তোষ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ। গত সোমবার (৯ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের কোর্স বন্ধের পরামর্শ দেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের এমন নির্দেশের পরই নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এরই মধ্যে গত বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের নির্দেশ দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ডক্টর দিল আফরোজার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে।
সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধের ব্যাপারে আমাদের নতুন সময়ের সাথে আলাপকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডক্টর আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে যত ধরনের পদক্ষেপ দরকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা গ্রহন করবে।’ তিনি আরো বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্দেশ দেয়ার পর কেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন উদ্যোগ নিয়েছেন? আগে কেন তারা নিরব ছিলেন? আমাদের নতুন সময়কে তিনি আরো জানান, এই ধরনের কোর্স বন্ধের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে প্রধান করে আমি গত বছরই ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছি, আশা করছি খুব দ্রুতই তারা রিপোর্ট জমা দিবেন। তাদের রিপোর্টের পরই আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো। তবে এই নিয়ে কাউকে বিতর্ক তৈরি করে বিভ্রান্ত না ছড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
আর ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর আমাদের নতুন সময়কে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সান্ধ্যাকালীন কোর্স চালু রেখে প্রকারন্তরে অর্থের বাণিজ্য করছেন। শিক্ষকরা সান্ধ্যকালীন কোর্সে সময় দিতে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশে বঞ্চিত করছেন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক মহামান্য চ্যান্সেলর এ বিষয়ে কথা বলার পর আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় নৈতিক ভাবে আর এ কোর্স চালু রাখতে পারে না। ডাকসু নির্বাচনে আমাদের ইশতেহার মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধের জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি।

ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন অনেক শিক্ষক রয়েছেন যারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও পাঠদান করছেন, যা খুবই দৃষ্টিকটু। শুধুমাত্র বেশি টাকা আয়ের জন্যই তারা এই ধরনের কাজ করছেন। তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্সে পাঠদান বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ না করতে পারে এ ব্যাপারে ইউজিসিকে আইন করারও অনুরোধ জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের যারা ক্লাস নেন বেশির ভাগই তারা জুনিয়র শিক্ষক, সিনিয়র শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্স নিতেই ব্যস্ত থাকেন। ভালো মানের শিক্ষক না পাওয়ায় আমাদের মেধা বিকাশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোন সান্ধ্যকালীন কোর্স না থাকে এ ব্যাপারে আমাদের জোরালো অনুরোধ থাকবে। সম্পাদনা: মাসুদ কামাল।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]