• প্রচ্ছদ » সাবলিড » ড. মোহম্মদ ইউনূস ৭ নোবেল জয়ীর বিবৃতির পরেরদিন তাদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন


ড. মোহম্মদ ইউনূস ৭ নোবেল জয়ীর বিবৃতির পরেরদিন তাদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন

আমাদের নতুন সময় : 12/12/2019


বিশ্বজিৎ দত্ত : রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে গণহত্যার অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য অংসাং সুচিকে আহ্বান জানিয়েছেন যে নোবেল জয়ীরা তাদের মধ্যে ড. মোহম্মদ ইউনূসও রয়েছেন। তবে তিনি ৭ নোবেল জয়ীর সঙ্গে একই দিনে বিবৃতি দিয়েছেন নাকী তারপরের দিন বিবৃতি দিয়েছেন,তা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে।
ইউনূস সেন্টারের ফেসবুক পেজে গিয়ে দেখা গেছে ড. ্ইউনূস ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে যে বিবৃতি দিয়েছেন তা প্রকাশিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে। আবার এই পেজেই নোবেল ওমেন্স ইনিশেটিভ নামের একটি সাইটের বরাতে বলা হয়েছে ড. ইউনূসসহ ৮জন নোবেল জয়ী সুচিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে ড. ইউনূসের নাম ৮ নম্বরে রয়েছে। এটি প্রকাশ হয়েছে ৯ ডিসেম্বর। কিন্তু ওমেন্স ইনিশেটিভ সাইটের ইমেজে রয়েছে ৭জন নোবেল জয়ীর নাম ।
অন্যদিকে বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা ইউএনবি নিউজ করেছে, ৭ জন নোবেল জয়ী সুচিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পরের দিন দেশের বিভিন্নপত্রিকায় ছাপা হয়েছে ড. ইউনূসসহ ৮জন নোবেল জয়ী সুচিকে ক্ষমার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে গোগল সার্চে দেখা যায় কোয়ানটারা ডটকম নামের একটি অনলাইন পোর্টাল ‘৭ নোবেল জয়ীর সুচিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান’ ছাপা হয়েছে। সেখানে ড. মোহম্মদ ইউনূস নেই। পোর্টালটিও নিউজ করেছে ৯ ডিসেম্বর। এ হিসাবে ওমেন ইনেশেটিভ ও কোয়ানটারার নিউজ প্রকাশের সময় এক। কিন্তু ইউনূস সেন্টারের সময় পরের দিন। এ হিসাবে মনে করা যায়, ড. ইউনূস পরের দিন এই ৭ জনের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]