প্লেনে পেঁয়াজ আনতে কেজিপ্রতি খরচ পড়ে ১৫০ টাকা, বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 12/12/2019

 

মো. আখতারুজ্জামান : বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের টিসিবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের উদ্যোগে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশের চাহিদার প্রায় ২৫ ভাগ পেঁয়াজ প্রতিবছর বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সংকট মোকাবেলায় উচ্চ মূল্যে পেঁয়াজ আমদানি করে ভর্তুকি দিয়ে কম মূল্যে দেশের মানুষের কাছে বিক্রয় করতে হচ্ছে। দেশের মানুষের চাহিদা মেটাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় পেঁয়াজ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দেশের বাজারে এখন পেঁয়াজের মূল্য কমছে।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপার্সন মো. মফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন। সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন, এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য মো. আব্দুর রউফ।
মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে পূর্ণমাত্রার প্রতিযোগিতা থাকে বলে পণ্যে উৎপাদন খরচ ও তার বাজার মূল্যের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকে না। কিন্তু বাজারে অনমনীয়তা, উপাদান ও উৎপাদনে চলাচল বাধা, চাঁদাবাজি, অধিক মুনাফাখোরী এবং মজুদারি করা হলে তখন আর সমপ্রতিযোগিতা থাকে না। দেখা দেয় মূল্যস্ফীতি। এসব বিষয়ে রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তীক্ষè নজরদারী রাখতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হলে পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল থাকবে। এজন্য বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে সমস্যার গভীরে গিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ভোক্তাদের ১০ টাকা দরে পেঁয়াজ খাওয়াতে পারলে ভালো। তবে আমাদের কৃষকদের কথা চিন্তা করতে হবে। এখন পণ্য উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পেলে পেঁয়াজ চাষে উৎসাহিত হবে। এতে করে আমাদের উৎপাদন বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতা কমিশনকে এমন ভাবে কাজ করতে হবে, যাতে অশুভ তৎপরতা চালিয়ে কেউ ভোক্তার ক্ষতি করতে না পারে। পৃথিবীর অনেক দেশে ধর্মীয় উৎসবের সময় পণ্যের মূল্য কমিয়ে ভোক্তাদের সহযোগিতা করা হয়। আমাদের দেশে পবিত্র রমজান মাস এলেই অনেক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়। এ অবস্থা মোকাবেলায় ভোক্তাদেরও সচেতন থাকতে হবে। উৎপাদন বাড়িয়ে ভোক্তাদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]