• প্রচ্ছদ » » কবীর চৌধুরী দাবি করেছিলেন তিনি অনুবাদক হিসেবে ‘রেপিস্ট’ নন


কবীর চৌধুরী দাবি করেছিলেন তিনি অনুবাদক হিসেবে ‘রেপিস্ট’ নন

আমাদের নতুন সময় : 13/12/2019

দেবদুলাল মুন্না

কবীর চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক। বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক। তার ডাকনাম মাণিক। কবীর চৌধুরী লিখেছেন, জন্মলাভের বহু আগেই তার নামকরণ হয়ে যায়। কারণ তার মায়ের আকিকালব্ধ নাম ছিলো উম্মে কবীর আফিয়া বেগম অর্থাৎ কবীরের মাতা আফিয়া। সুতরাং জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তার নামও কবীর নির্ধারিত হয়ে যায়। পুরো নাম আবুল কালাম মোহাম্মদ কবীর। পঞ্চাশের দশকে যখন তিনি বাংলায় লেখালেখি শুরু করেন, তখন তিনি কবীর চৌধুরী নাম ব্যবহার করতে থাকেন। কবীর শব্দের অর্থ বড়। তিনি সার্থকনামা ছিলেন। তার একটা সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছিলাম। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, অনুবাদে অনুবাদকের কোনো সৃজনশীলতা থাকে? তিনি বলেছিলেন, অনুবাদেও একধরনের সৃজনশীলতা প্রয়োজন হয়। যদিও রবীন্দ্রনাথ একবার বলেছিলেন, কবিতার অনুবাদ হয় না। বুদ্ধদেব বসু বলেছিলেন, সোনার পাথর বাটি। অর্থাৎ কবিতা অনুবাদযোগ্য নয়, কিন্তু আমি বলবো, অনুবাদকের মধ্যে যদি কিছুটা সৃজনশীলতা থাকে তাহলে চমৎকারভাবে তা সম্ভব। বিশ্বসাহিত্যে এর নজির অনেক। বুদ্ধদেব বসু নিজেই কালিদাস ও বোদলেয়ারের কবিতার চমৎকার অনুবাদ করেছেন। অনুবাদ করতে গিয়ে শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমি চেয়েছি মূল শব্দের দ্যোতনা এবং ব্যঞ্জনা প্রকাশ করে এমন শব্দটাকে ব্যবহার করতে। যাতে মূলের ভাবটা অনুবাদেও ঠিক থাকে। এ কাজটা কঠিন। কিন্তু করেছি। এতে অনুবাদকর্মকে যারা ‘রেপ’ মনে করেন আমি তেমন করিনি। লেখক : সহযোগী সম্পাদক, আমাদের নতুন সময়




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]