• প্রচ্ছদ » » ছেলেকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশ


ছেলেকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশ

আমাদের নতুন সময় : 13/12/2019

নুসরাত জাহান ফারিহা

ছেলেকে দেয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশ : ১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিও না, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও। ২. কখনো কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকো না। মনে রেখো তারাও কারও না কারও ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদের সম্মান দিয়ে ডেকো। ৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবির দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনো কাউকে ছোট করে দেখো না। না হলে তুমি ছোট হয়ে যাবে। ৪. পড়াশোনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারও ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না। ৫. কাউকে সাহায্য করে পেছনে ফিরে চেও না, সে লজ্জা পেতে পারে। ৬. সবসময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি। মনে রেখো, প্রদানকারীর হাত সর্বদা উপরেই থাকে। ৭. এমন কিছু করো না যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে। ৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেও না। ৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে। ১০. কখনো মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না। ১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রণ খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না। ১২. কারও বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাওয়ার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না। ১৩. বড় হওয়ার জন্য নয়, মানুষ হওয়ার জন্য চেষ্টা করো। ১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতোটা সম্মান দিও, যতোটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও এবং তাদের প্রতি এমন আচরণ করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে। ১৫. সবসময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করো না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]