• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » লাল সবুজের প্রতি নিবিড় ভালোবাসায় সরোয়ার খলিফা পতাকার ফেরিওয়ালা


লাল সবুজের প্রতি নিবিড় ভালোবাসায় সরোয়ার খলিফা পতাকার ফেরিওয়ালা

আমাদের নতুন সময় : 14/12/2019


শিমুল মাহমুদ : একদিকে বিজয়ের আনন্দ, অন্যদিকে স্বজন হারানোর বেদনা। বাংলার আকাশে উড়ছে মুক্তির পতাকা। বাঙ্গালীর আনন্দ-বেদনা, গর্ব আর বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ মাস এলেই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত গাড়িতেও উড়তে দেখা যায় লাল সবুজের পতাকা। মানুষের এ চাহিদা সামাল দিতে ব্যস্ত সময় পার করেন পতাকার কারিগররা। ব্যস্ত হয়ে পড়েন পতাকা বিক্রেতারাও। ভোর হতেই মাথায় লাল সবুজের টুপি, গায়ে পতাকা মোড়ানো শার্ট আর কাঁধে সবুজ ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পরেন তারা। ছুটে বেড়ান ঢাকা শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।
শুক্রবার সকালে সংসদ ভবন এলাকায় কথা পতাকা ফেরিওয়ালা সরোয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ২৪ বছর ধরে পতাকার ফেরি করছেন তিনি। পতাকা তৈরি কাজটিও করেন নিজের হাতে। ডাকনাম সরোয়ার হলেও অনেকে খলিফা বলে ডাকেন।
সরোয়ার জানান, দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি এ কাজটি করেন। বছরে দুই ঈদে দর্জির কাজ ছাড়া সারা বছরেই ফেরিওয়ালার কাজ করেন তিনি। এ থেকে তার সংসারের খরচ বাদেও ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা আয় হয়।
এদিকে, রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, হকার্স মার্কেট, বঙ্গবাজারসহ বেশকিছু জায়গায় গিয়ে জাতীয় পতাকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায় পতাকা-কারিগরদের।
বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উলটো দিকে সিটি সেন্টারের দোতলায় পতাকা বানাতে ব্যস্ত লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার ইয়াসিন। তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ দোকানে সারা বছরই পতাকা বানানো হয়। শুধু বাংলাদেশের পতাকাই নয়, অন্য যে কোনো দেশের পতাকাও সঠিক মাপে বানান তারা। দোকানের মালিকের নামও হয়ে গিয়েছে ‘পতাকা কামাল’। তিনি প্রায় ১৬ বছর ধরে জাতীয় পতাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত।
কাজের চাপ কেমন জানতে চাইলে পতাকা বানানো আরেক কারিগর মো. রিয়াজ বলেন, এই সময় আমাদের কাজের চাপ অনেক বেড়ে যায়। সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ করেও শেষ করতে পারি না। আমরা দেড় ফুট থেকে শুরু করে দশ ফুট সাইজ পর্যন্ত পতাকা বানাই। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]