• প্রচ্ছদ » » মুক্তিযুদ্ধকে মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে ব্যাখ্যা করেছে রাজাকাররা কখনোই সেভাবে তা কবুল করেনি


মুক্তিযুদ্ধকে মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে ব্যাখ্যা করেছে রাজাকাররা কখনোই সেভাবে তা কবুল করেনি

আমাদের নতুন সময় : 15/12/2019

মোহাম্মদ আলী আরাফাত

একাত্তরে বাংলার মানুষ যখন দেশমাতৃকার স্বাধীনতা আর সম্মানের জন্য লড়ছিলো, তখন তাদের ‘ভারতের চর’ বলে আখ্যায়িত করতো পাকিস্তানি হত্যাকারী আর তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকারের দল। এতো বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তিকে আক্রমণ করার জন্য তারা একই ভাষা, একই শব্দ ব্যবহার করে। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী, বাংলাদেশের বিরোধী কারা, আটকে পড়া পাকি ভ‚ত কারা, তা বোঝা মোটেই কষ্টসাধ্য নয়। সামনের দিনগুলোতে এদের সঙ্গেই আমাদের লড়তে হবে। এ লড়াই অবশ্যম্ভাবী এবং এ লড়াইয়ে একাত্তরে জয়ী হয়েছি আবারও হবো, জিততেই হবে। না হলে বাংলাদেশ হেরে যাবে। ‘বাংলাদেশ’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধ’, আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি তথা বাংলাদেশের পক্ষশক্তি, আমাদের বাবার সম্পত্তি। ৭১-এ তাই ছিলো, এখনো তাই আছে। তবে হ্যাঁ পাকিরা এই বাংলাদেশের ভ‚খন্ডটা চেয়েছিলো, আর কিছু নয়। এই ভ‚খÐকে তারা এবং তাদের দালালদের দিয়ে মুক্তিপাগল বাঙালিমুক্ত করতে চেয়েছিলো। গণহত্যা করেছিলো। যেমন পাকি সেনারা রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের ভ‚খÐটি বাঙালিমুক্ত করতে চেয়েছিলো, এখনকার পাকি ভ‚তরাও তাই চাচ্ছে। তখনো মুক্তিপাগল বাঙালি এবং দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিরা এবং তাদের সহযোগীরা ভারতীয় দালাল বলতো, এখনো এই পাকিদের প্রেতাত্মাগুলো একই কথা বলে। কোনো পার্থক্য নেই, তখন ছিলো ১৯৭১ শুধু এটা ২০১৯। মুক্তিযুদ্ধকে মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে ব্যাখ্যা করেছে রাজাকাররা কখনোই সেভাবে তা কবুল করেনি। করার কথাও নয়। রাজাকারদের যুদ্ধ ছিলো পাকিদের পক্ষে, আমাদের যুদ্ধ ছিলো স্বাধীনতার পক্ষে। এখনো তাই। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]