• প্রচ্ছদ » খ্রিস্টীয় দর্পণ » সারাদেশে বড়দিন পালিত, ১০৯ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে ‘বড়দিন’ পালনের প্রথা চালু করেছিলেন


সারাদেশে বড়দিন পালিত, ১০৯ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে ‘বড়দিন’ পালনের প্রথা চালু করেছিলেন

আমাদের নতুন সময় : 26/12/2019

দেবদুলাল মুন্না: বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও খ্রিষ্টধর্মানুসারীরা সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন গতকাল যথাযথ ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেছেন। ১৯১০ সালের শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রথম বড়দিন পালিত হয়েছিল। সেই থেকে প্রতিবছরের মতো এবারও পালিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ শৈশবে একজন ইউরোপীয় মিশনারির বাড়িতে অল্প বয়সে শ্রীকণ্ঠ সিংহের সঙ্গে প্রায়ই যেতেন। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে পড়াকালীন একজন খ্রিস্টান ধর্মযাজক অধ্যাপক ফাদার ডি. পেনেরান্ডার সান্নিধ্য, সাহচর্য তার জীবনে বিশেষ ভাবে ছায়া ফেলেছিল। কবি তাঁর জীবনস্মৃতি বইতে লিখেছেন, ‘তাহাকে দেখিলেই মনে হইত, তিনি সর্বদাই আপনার মধ্যে যেন একটি দেবোপাসনা বহন করিতেছেন। আজও তাহা স্মরণ করিলে আমি যেন নিঃস্তব্ধ দেবমন্দিরের মধ্যে প্রবেশ করিবার অধিকার পাই।’ ১৯১২ সালের বড়দিনে রবীন্দ্রনাথ আমেরিকার ইলিনয়ে ছিলেন। সেখান থেকে হেমলতা দেবীকে লেখা এক চিঠি লেখেন। কবি লিখেছেন, ‘আজ বড়দিন। এইমাত্র ভোরের বেলা আমরা আমাদের উৎসব সমাধা করে উঠেছি। রথী, বৌমা শিকাগোতে গেছেন। কেবল সোমেন্দ্র এবং আমি এখানে আছি। আমরা দুজনে আমাদের শোবার ঘরে একটি কোণে আমাদের উৎসব করলুম। কিছু অভাব বোধ হল না।’ আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, এবারও মোমের আলোয় মুখরিত ‘ক্রিসমাস ক্যারোল’সহ একেবারে শান্তিনিকেতনের প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী উদ্যাপিত হয়েছে বড়দিন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]