• প্রচ্ছদ » » চে বা সুলাইমানির মতবাদ যাই হোক, তারা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের সৈনিক


চে বা সুলাইমানির মতবাদ যাই হোক, তারা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের সৈনিক

আমাদের নতুন সময় : 13/01/2020

ফারুক ওয়াসিফ

আমার লেখায় সোলাইমানিকে চে গুয়েভারার সঙ্গে তুলনা করায় যারা চোখ কপালে তুলেছিলেন, চোখ নামিয়ে তারা পড়তে পারেন পেপে এসকোবারের এই লেখাটি। পেপে এসকোবার নিয়মিতভাবে তেলকেন্দ্রিক ভ‚রাজনীতির বিশ্লেষণ করে থাকেন এশিয়া টাইমসসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। পেপে লিখেছেন : ‘ঙহ সুৎরধফ ষবাবষং, ঝড়ষবরসধহর পড়ঁষফ নব ফবংপৎরনবফ ধং ঃযব ২১ংঃ পবহঃঁৎু চবৎংরধহ ঈযব এঁবাধৎধ : ঃযব অসবৎরপধহং যধাব সধফব ংঁৎব যব’ং সবঃধংঃধংরুরহম রহঃড় ঃযব গঁংষরস জবংরংঃধহপব ঈযব’. আমি লিখেছিলাম : ‘চে গুয়েভারা সফল হলে হতেন জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মতো মহাদেশীয় সংগ্রামের নায়ক। তৃতীয় দুনিয়ার সামনে এক চৌকস ও ধুরন্ধর সামরিক নেতার আদর্শের দরকার ছিলো, কাসেম সোলাইমানির মৃত্যুর মাধ্যমে দুনিয়া তা পেয়ে গেলো’। ঘটনাকে তার সারবস্তু দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হয়, মতাদর্শিক চশমা দিয়ে নয়। কোনোরকম অ্যাসেনশিয়ালিজম দিয়ে চালিত হলে পুরো চিত্রটা ধরা পড়ে না। পিকাসো যেমন বলেছিলেন, ‘কমিউনিস্ট মুচি নিশ্চয়ই পেরেকটা পুঁজিবাদী মুচির উল্টা কায়দায় লাগাবে না’। চে বা সুলাইমানির মতবাদ যাই হোক, তারা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের সৈনিক। কিউবা যদি ইরান হতো, আর চে হতেন তার অন্যতম সেনাপতি, তাহলে তাকে সেটাই করতে হতো যা করতে চেয়েছেন সুলাইমানি। ব্যক্তির চেয়ে কাজ বড়, কাজের সারবস্তুটা দেখাই আসল কথা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]