• প্রচ্ছদ » » ছাত্রদের বিপন্নতা নীরব এক ভয়ানক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়


ছাত্রদের বিপন্নতা নীরব এক ভয়ানক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়

আমাদের নতুন সময় : 13/01/2020

সুব্রত বিশ্বাস

শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রধান সমস্যাগুলোর সমাধান জরুরি। কিন্তু শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার সংকট, এই দুইটি প্রসঙ্গেই আজ ভ‚মিকানিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। প্রশ্নটি একটিমাত্র ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ নেই। উচ্চ শিক্ষার জন্য ক্যাম্পাসে পরিবর্তন জরুরি। শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের প্রচলিত ধারণাটিকে আঘাত করেছেন জগদেশ কুমার। যিনি নিজের আচরণ দিয়ে অপরকে শিক্ষা দেন, তিনিই ‘আচার্য’। ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষকদের মতান্তরের অজস্র দৃষ্টান্ত এ দেশ দেখেছে। কিন্তু এটাও দেখেছে যে, ছাত্র আক্রান্ত হলে শিক্ষকেরা তৎক্ষণাৎ তার পার্শ্বে দাঁড়িয়েছেন, আক্রমণকারীদের নিন্দা করেছেন। বহু শিক্ষক দীর্ঘ সময় ধরে ঘেরাও হয়েও পুলিশ ডাকেননি। ছাত্রদের নির্যাতন হতে পারে, এই ভয়ে। এটা এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। তা এই যে, মতবিরোধের মধ্যেও পরস্পরের প্রতি দায়বদ্ধতা, শ্রদ্ধা-সহানুভ‚তির সম্পর্ক বেঁচে থাকতে পারে। সব ছাত্রের সুরক্ষা ও কল্যাণের প্রতি শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা রয়েছে, এখন কি তবে বিপন্ন ছাত্রের পরিচয় দেখে, তার রাজনৈতিক অবস্থান বিচার করে শিক্ষক সরব, সক্রিয় হন? তাহলে ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষকের সম্পর্কটি কী দাঁড়ালো? প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রের সম্পর্কই বা কী হিসেবে নির্ধারিত হবে? এই প্রশ্নগুলো গোটা দেশকে ভাবিয়ে তুলছে। ক্যাম্পাস ‘স্বাভাবিক’ করলেই প্রশাসকের কাজ সম্পন্ন হবে না। সমাজ-সংসার সম্পর্কে ছাত্রের ধারণা শিক্ষকই গড়ে দেন। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক যে নতুন জ্ঞানের নির্মাণ করেন, তার সহনির্মাতা ছাত্র। এই উপলব্ধি পরস্পরের প্রতি আস্থা তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানের প্রতি শিক্ষক ও ছাত্রের দায়বদ্ধতার জন্ম দেয়। ছাত্রকে ‘প্রতিপক্ষ’ ঠাহর করার, ‘শিক্ষা’ দেয়ার প্রবণতা উচ্চ শিক্ষার এই ভিত্তিকে নস্যাৎ করে দেয়। যে শিক্ষকেরা সে কাজটি করবেন, তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করবেন কি না, সে প্রশ্নটি কোনোমতেই তুচ্ছ নয়। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]