• প্রচ্ছদ » আমাদের আনন্দ » ঋত্বিক সুচিত্রাকে বলেন, আমরা ভীতু বাঙালি যারা বাংলার জন্য লড়ি না, মুজিব বাংলার ‘বলী’


ঋত্বিক সুচিত্রাকে বলেন, আমরা ভীতু বাঙালি যারা বাংলার জন্য লড়ি না, মুজিব বাংলার ‘বলী’

আমাদের নতুন সময় : 14/01/2020


দেবদুলাল মুন্না: ২] ঋত্বিক ঘটক সুচিত্রা সেনকে বলেন ‘অন্নদাশঙ্কর রায় তো তোমার জ্যাঠা, তাকে জিজ্ঞেস করো, শেখ মুজিব কে ? সুচিত্রা চুপ। ঋত্বিক বলেন, ‘শেখ মুজিব আমার ভাই। আমি ওইদেশ ছেড়ে চলে এসেছি। কিন্তু মুজিব আমার মতো বাঙালিদের জন্যই লড়ছেন।’ আনন্দবাজারকে সাক্ষাতকারে সুচিত্রা সেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছিলেন। পরে রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বিচিত্র চিত্রিত সুচিত্রা’ বইতে এসব কথা জানান।
৩] ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের এক জায়গায় জটলা। সুচিত্রা সেন যাচ্ছিলেন গাড়িতে। দেখেন,পরিচালক ঋত্বিক ঘটক, কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় এরা মানুষের কাছে হাত পাতছেন। টুলে বসে গিটার বাজিয়ে বব ডিলানের গান গচ্ছেন এক বিদেশি তরুণ । সুচিত্রা খেয়াল করলেন ঋত্বিকের পিছনে একটা ব্যানারে বড় করে লেখা : “বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য দান করুন, শেখ মুজিবের পাশে থাকুন।” ব্যানারের পাশেই একটা বড় বাক্স, সেখানে রাস্তার মানুষ টাকা ফেলে যাচ্ছে।
৪] সুচিত্রা এগিয়ে যেতেই দএলেই যখন, দুটো টাকা দিয়ে যাও’, বলে ঋত্বিক হাত বাড়ালেন। লজ্জায় মাথা নিচু করে সুচিত্রা বললেন ‘ছিঃ দাদা। এমন করে বলছেন কেন? আমি কি দূরের কেউ ?’। বলেই কয়েকটা ১০০টাকার নোট দিলেন ঋত্বিকের হাতে। ঋত্বিক জানান, গিটার বাজানো তরুণটি মার্কিন সাংবাদিক স্টিভ টার্নার। কবি অ্যালান গিনসবার্গও কলকাতা এসেছেন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]