• প্রচ্ছদ » » নিজে কবি না হলেও অল্প বয়সেই বুঝেছিলাম যে, একেবারে জাত কবি কাশীনাথ রায়


নিজে কবি না হলেও অল্প বয়সেই বুঝেছিলাম যে, একেবারে জাত কবি কাশীনাথ রায়

আমাদের নতুন সময় : 15/01/2020

আজফার হোসেন : আমার এই তুচ্ছ জীবনের একটা বিশাল প্রাপ্তি হচ্ছে আমার পরম প্রিয় শিক্ষক কাশীনাথ রায় স্যারের সঙ্গে আমার একসময়ের ঘনিষ্ঠতা। নিজে কবি না হলেও অল্প বয়সেই বুঝেছিলাম যে, একেবারে জাত কবি তিনি, যার বিন্দুমাত্র মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমাদের এখনো হয়নি বলে আমি মনে করি। এক সন্ধ্যার কথা দারুণ মনে পড়ে তিনি মালার্মে আর উইটগেনস্টাইন নিয়ে কথা বলছিলেন, আর তার সেই কথাগুলো এখনো আমার সঙ্গে থেকে গেছে। একটা কথা হয়তো অনেকেই জানেন না কবি তো বটেই, কিন্তু দর্শন এবং এমনকি মার্কসবাদী রাজনৈতিক অর্থনীতিতেও তার অগাধ পাÐিত্য। এই কাশীনাথ রায়কেও আমাদের চিনে রাখা দরকার। এবার আরেকটা প্রসঙ্গে আসি। সেই অল্প বয়সে, ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র থাকার সময়, আমি কাশীনাথ রায়ের দুর্দান্ত কবিতা ‘চারু বাবু ও কতিপয় বিভ্রান্ত স্থপতি’ ইংরেজিতে অনুবাদ করে ফেলি। অনুবাদ করার যোগ্যতা না থাকা সত্তে¡ও খুব ভালোলাগা থেকেই তার কবিতাটা অনুবাদ করে ফেলি। শওকত স্যার (প্রফেসর শওকত হোসেন) কী ভেবে সেই অনুবাদটা আবার তার ‘ফর্ম’ পত্রিকায় ছাপিয়েছিলেন। ছাপানোর পর এও বুঝতে পেরেছিলাম যে, তার কবিতার প্রতি সুবিচার করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। একধরনের অস্বস্তি কাজ করার কারণে তার সামনাসামনি হতে চাইনি বেশ কিছুদিন। কিন্তু একদিন তিনি আমাকে দেখতেই ধন্যবাদ জানালেন ওই অনুবাদের জন্য। আরও লজ্জা পেলাম, কিন্তু এও বুঝলাম যে, তিনি উদার। তিনি যে আপোসহীন, তাও বুঝেছি বারবারই। তার কাছে আমার ঋণ অন্তহীন। তাকে দিতে পারিনি কিছু, কিন্তু তার কাছ থেকে নিয়েছি প্রচুর। জানি, তিনি আছেন এবং থাকবেনওÑ আমাদের পরম প্রিয় কাশীনাথ স্যার! (২০১৭ সালে আমেরিকা থেকে ঢাকায় ফিরে আমার বন্ধু নূরুল কবীরের সঙ্গে গিয়েছিলাম স্যারকে দেখতে, তার সঙ্গে তখন জমে উঠেছিলো আমাদের এক অসাধারণ স্পন্দিত আড্ডা, যা নিয়ে আরেক সময় লিখবো)। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]