• প্রচ্ছদ » » সংগীতশিল্পী কনিকার মায়ের স্বপ্ন তার কন্যা একদিন রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের মতো শিল্পী হবে


সংগীতশিল্পী কনিকার মায়ের স্বপ্ন তার কন্যা একদিন রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের মতো শিল্পী হবে

আমাদের নতুন সময় : 15/01/2020

ইমরুল শাহেদ : ‘মা যখন খেতে পারতেন তখন খাওয়াতে পারিনি। এখন খাওয়ানোর ক্ষমতা হয়েছে, কিন্তু মা আমার এখন আর খেতে পারেন না’। এভাবেই গায়িকা কনিকা রায় তার সংগীত জগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার সংগ্রামী জীবনের প্রতি আলোকপাত করলেন। তিনি জানান, জন্মের তিন মাস পর খুলনা বাগেরহাট থেকে তার পরিবার ভারতে চলে যান। সেখানেই তিনি বড় হন এবং লেখাপড়া করেন। তিনি বলেন, ‘মাকে নিয়ে ঢাকা ফিরে আসার পর আমাকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। ভাত খেতে গিয়ে তরকারি পাইনি। কম টাকায় ভাড়া থেকেছি নদীর ওপারে। গানের টিউশনি করে যে টাকা পেতাম তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাতাম। কিন্তু এখন আমার কোনো অভাব নেই’। দারিদ্র্যপীড়িত সেই সময়টাতে তিনি উত্তরা ক্লাবে গান গেয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কনিকা রায় জানান, ছোটবেলাতেই কলকাতায় তার গানে হাতে খড়ি। পরে তিনি শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন অপর্ণা সেন (নায়িকা নন), মোহন ভট্টাচার্য, চন্দ্রকান্ত নন্দীসহ আরও কয়েকজনকে। তিনি বঙ্গীয় পরিষদ থেকে শাস্ত্রীয়, রবীন্দ্র এবং নজরুল সংগীতে ডিপ্লোমা করেছেন এবং সেভাবেই কণ্ঠচর্চা করেছেন। ছায়ানটে সংগীতচর্চা করেছেন এক বছর। ২০০৪ সালে হাবিব ওয়াহিদের ময়না গো অ্যালবামে একটি ডুয়েট গান করেন। তার আরেকটি গান হলো টিপটিপ বৃষ্টিতে মন ভালো নেই। কনিকা এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টিরও বেশি গান গেয়েছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে মাধবীলতা আমি, জানি তুমি আসবে না ফিরে ইত্যাদি। তিনি ‘মালেকা সুন্দরী’, ‘এক জনমের কষ্টের প্রেম’, ‘ফিফটি ফিফটি লাভ’ এবং ‘গুপ্তচর’ ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এছাড়া নাটক ও টেলিফিল্ম তো আছেই। তার আইডল হলো আশা ভোসলে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]