চাঁদ একসময় পৃথিবীতেই ছিলো!

আমাদের নতুন সময় : 17/01/2020

পারভেজ আল হাসান : মহাকাশ নিয়ে মানবজতির আগ্রহের শেষ নেই। সেই প্রাচীনকাল থেকেই হাজারো গবেষণা চলছে মহাকাশ নিয়ে। যার ফল হিসেবে নিজেদের পৃথিবীতে অবস্থিত সমুদ্র-মহাসমুদ্র নিয়ে মানুষ যতোটুকু না জানতে পেরেছে, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি জেনেছে মাথার উপরের নীল রঙের আকশটাকে। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অবজেক্ট এবং বিলিয়ন গ্যালাক্সির এই মহাকাশের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য। তেমনি কয়েকটি মজাদার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানবো আজ।
মহাকাশ সম্পূর্ণ শব্দহীন। অর্থাৎ মহাকাশে কোনো ধরনের শব্দ বা আওয়াজ নেই। কারণ আমরা জানি মহাকাশে বায়ুমÐল নেই, আর শব্দ বাতাস ছাড়া চলাচল করতে পারে না। যার ফলে সেখানে কোনো প্রকার শব্দের উৎপত্তি হলেও বাতাস না থাকায় তা নিঃশব্দই থেকে যায়। আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে গরম গ্রহের নাম শুক্র, যার গড় তাপমাত্রা ৪৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও শুক্র সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ নয়, সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহের নাম বুধ, কিন্তু বুধ গ্রহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো বায়ুমÐল না থাকায় এটির তাপমাত্রা উঠানামায় অনেক সময় লাগে। আর এজন্যই শুক্র সৌরজগতের সবচেয়ে গরম গ্রহ। মহাকাশে পাড়ি জমানো সংস্থাগুলোর মধ্যে আমেরিকার নাসা অন্যতম। নাসার একটি মহাকাশচারী পোশাকের মূল্য ১২ কোটি মার্কিন ডলার। আনুমানিক ৩.৭৫ মিলিয়ন বছর পর মিল্কিওয়ে এবং এন্ড্রোরিমা গ্যালাক্সির একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা লাগবে। প্রতিনিয়ত সেকেন্ডে প্রায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে গ্যালাক্সি দুইটি একে অপরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মহাকাশে যদি একই ধরনের দুইটি ধাতু সংস্পর্শে আসে তাহলে ধাতু দুইটি একত্রে জোড়া লেগে যাবে। আর এই অবিশ্বাস্য সত্যটি ‘কোল্ড ওয়েল্ডিং’ নামেও পরিচিত। এমনটা ঘটার কারণ হচ্ছে বায়ু এবং পানির অনুপস্থিতির কারণে ধাতব দু’টির মধ্যে নিজেদের আলাদা বোঝার ক্ষমতা থাকে না। একসময় চাঁদ পৃথিবীর ভ‚মিতেই ছিলো। কিন্তু সৃষ্টির কিছুকাল পরই পৃথিবী একটি সংঘর্ষের শিকার হয়, এতে একটি টুকরো ভেঙে পৃথিবী থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং মহাকর্ষীয় বল ব্যবহার করে টুকরোটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ঘুরতে থাকে। এভাবেই সৃষ্টি হয় চাঁদ নামে একটি উপগ্রহের।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]