আমাদের মিডিয়ার সীমাবদ্ধতা

আমাদের নতুন সময় : 18/01/2020

মো. শামসুল ইসলাম

মাঝে মধ্যে মনে হয় বিভিন্ন ইস্যুতে ড়ঁঃ ড়ভ ঃযব নড়ী লেখা লিখি। একজন লেখককে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় বা আইনি কাঠামোর মধ্যেই লিখতে হয়। এই কাঠামোর মধ্যেই আমার দৃষ্টিতে চিন্তার বিভিন্নতা আনা সম্ভব। মূলধারার মিডিয়া যখন ধুঁকছে তখন মিডিয়াকে আরও জনমুখী করা সম্ভব। কিন্তু আমাদের মিডিয়া আমার কাছে মনে হয় অনেক আগে থেকেই কিছুটা বাম প্রভাবিত, কিছুটা ংঃবৎবড়ঃুঢ়বফ আবার কিছুটা পশ্চিমা প্রভাবিত। রাজনীতি, ধর্ম, চিকিৎসা, শিক্ষা যাই হোক না কেন একটা নির্দিষ্ট সীমারেখার বাইরে মিডিয়া বা তথাকথিত সুশীল সমাজ কোনো আলোচনা গ্রহণ করে না। এ রকম লেখালেখি করতে গেলেই তা প্রকাশিত হবে না, উপরন্তু বিভিন্ন অভিধায় ভ‚ষিত হতে হবে। এমনকি মিডিয়া যে দেখতে ভুল করছে সেটা বলাও এ দেশে নিরাপদ নয়। পৃথিবীর অন্য দেশে মিডিয়ার সমালোচনাকে উৎসাহিত করা হয়। সেটা এ শিল্পের স্বার্থেই। কিন্তু আমাদের দেশে এটাকে ব্যক্তিগতভাবে নেয়া হয়। মিডিয়া নিয়ে কিছুটা লেখালেখি করতে গিয়ে আমি গালিগালাজও শুনেছি। আমাদের দেশে মিডিয়া আসলে একটা সীমারেখার মধ্যেই আলোচনা পছন্দ করে। তাই লিখতেও ভয় পাই। ঘড়ধস ঈযড়সংশুর কথা মনে পড়লো ‘ঞযব ংসধৎঃ ধিু ঃড় শববঢ় ঢ়বড়ঢ়ষব ঢ়ধংংরাব ধহফ ড়নবফরবহঃ রং ঃড় ংঃৎরপঃষু ষরসরঃ ঃযব ংঢ়বপঃৎঁস ড়ভ ধপপবঢ়ঃধনষব ড়ঢ়রহরড়হ, নঁঃ ধষষড়ি াবৎু ষরাবষু ফবনধঃব রিঃযরহ ঃযধঃ ংঢ়বপঃৎঁস’. আমাদের মিডিয়াও বিতর্ক চায়, কিন্তু একটা সীমারেখার মধ্যে। এটি যে শুধু সরকারের সমর্থন বা বিরোধিতার ক্ষেত্রে তা নয়। সব ইস্যুতেই আমদের মিডিয়ার কিছু নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি আছে যা মিডিয়া সমালোচক হিসেবে হয়তো আমরা বাইরের লোকজন বুঝতে পারি, কিন্তু মিডিয়া এগুলো নিয়ে আলোচনা সমর্থন করবে না। অনেক উদাহরণ দিয়ে আমি ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করতে পারবো। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]