• প্রচ্ছদ » » কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সরকারের প্রতি চাপ তৈরি করাÑ যাতে এ সব ঘৃণিত, চোর-বাটপার লুটেরাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ দ্রæত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে


কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সরকারের প্রতি চাপ তৈরি করাÑ যাতে এ সব ঘৃণিত, চোর-বাটপার লুটেরাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ দ্রæত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে

আমাদের নতুন সময় : 18/01/2020

মঞ্জুরে খোদা টরিক

দেশের সম্পদ পাচারকারী কানাডায় আত্মগোপনকারী চোর-বাটপার-লুটেরাদের প্রতি প্রবাসী নাগরিকদের মধ্যে যে ঘৃণা-ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তা দারুণ ইতিবাচক ও আনন্দের। কিন্তু শুধু আবেগাপ্লুত না হয়ে বিষয়টিকে দায়িত্বশীল, সুস্থ ও চিন্তাশীল প্রক্রিয়ায় অগ্রসর করতে হবে। আমি মনে করি করণীয় হিসেবে এ বিষয়ে কমিউনিটির দুইটা দিক আছে। একটি হচ্ছে সামাজিক সচেতনতা আর আরেকটা হচ্ছে প্রশাসনিক ও আইনগত সহায়তা। আমরা অনেক কিছু বললেও তা করতে পারবো না। কারণ এখানে আইনগত ও পদ্ধতিগত বিষয় আছে। এ বিষয়ে কিছু করতে গেলে এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের আইনগত চুক্তি-সম্পর্ক থাকতে হয়। এর বাইরে আমরা অনেক কিছু বললেও তেমন কিছু করার নেই। যে বিষয়গুলো আমরা করতে/ভাবতে পারি। ১. আমরা তাদের সামাজিকভাবে বয়কট/বর্জন করতে পারি। সামাজিকভাবে বর্জন মানেÑ তাদের সঙ্গে উঠা-বসা, ব্যবস্যা-বাণিজ্য করা, কমিউনিটির কোনো অনুষ্ঠান-আয়োজন-প্রয়োজনে তাদের কোনো সহযোগিতা-অংশগ্রহণ নেওয়া-দেওয়া না করা। ২. তাদের সঙ্গে যারা যোগাযোগ রাখবে/করবে এবং পক্ষ নেবে তাদেরও বর্জন করা বা এড়িয়ে চলা। ৩. সম্পদ পাচারকারীদের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনকে তথ্য-সংবাদ সরবরাহ করে সহায়তা করা। ৪. কমিউনিটির প্রবাসীদের বিভেদ-বিতর্কে না জড়িয়ে জাতীয় স্বার্থে দেশের সম্পদ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে সচেতনতামূলক কর্মসূচি রাখা এবং কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সরকারের প্রতি চাপ তৈরি করাÑ যাতে এ সব ঘৃণিত, চোর-বাটপার, লুটেরাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ দ্রæত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ৫. সরকার, প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহায়তায় কানাডায় আত্মগোপনকারী দেশের সম্পদ পাচারকারীদের একটি তালিকা প্রণয়ন করে তাদের সবাইকে চিহ্নিত করা এবং তা মিডিয়ায় প্রকাশের মাধ্যমে তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা ও তাদের বর্জন করা। ৬. কানাডার আইন অনুযায়ী কোনো নাগরিক আদালত কর্তৃক অপরাধী সাব্যস্ত না হওয়া অবধি তাকে অপরাধী বলা যাবে না। কিন্তু বাংলাদেশে পত্র-পত্রিকা-আদালত বলছে তারা এই অপরাধ-অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত ও পলাতক। যে কারণে তাদের বিরুদ্ধে এমন প্রচারণায়-উদ্যোগে আমাদের কোনো বাধা নেই। আমি অনুরোধ করবো যিনি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত/অভিযুক্ত তাকে ছাড়া তার পরিবার বা সন্তানদের বিষয়ে অযৌক্তিক কিছু লিখবেন না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]