• প্রচ্ছদ » » গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ মোনাজাতউদ্দিন দেশের সাংবাদিকতায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে সংযোজন করেছিলেন ভিন্ন মাত্রা


গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ মোনাজাতউদ্দিন দেশের সাংবাদিকতায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে সংযোজন করেছিলেন ভিন্ন মাত্রা

আমাদের নতুন সময় : 18/01/2020

আমিরুল ইসলাম : সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন, মরণোত্তর একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক। গ্রাম-বাংলা ঘুরে, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম করে তিনি সংবাদ সংগ্রহ করতেন। আজ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিনের শুভ জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৮ জানুয়ারি রংপুর শহরের কেরানীপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ মোনাজাতউদ্দিন বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে সংযোজন করেছিলেন ভিন্ন মাত্রা। সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনমত সৃষ্টি ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রয়াসী ছিলেন চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন। মোনাজাতউদ্দিন রংপুর কৈলাশরণ স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পিতার আকস্মিক মৃত্যু হলে বি.এ পাস করে তিনি পেশাগত জীবনে জড়িয়ে পড়েন। সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন ‘দৈনিক রংপুর’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশনা ও সম্পাদনা করেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ ও ‘দৈনিক আজাদে’র উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৭৬ সাল থেকে ‘দৈনিক সংবাদে’র উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। সংবাদ সংগ্রহের পাশাপাশি আলোকচিত্রও ধারণ করতেন। ফিচার এবং সংবাদের সঙ্গে সংযোজিত তার তোলা ছবিগুলো অভ‚তপূর্ব। লেখক হিসেবেও সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন ছিলেন অনন্য। তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘শাহ আলম ও মজিবরের কাহিনি’, ‘পথ থেকে পথে’, ‘কানসোনার মুখ ও সংবাদ নেপথ্যে’, ‘পায়রাবন্দ শেকড় সংবাদ’ প্রভৃতি। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য মোনাজাত জহুর হোসেন স্বর্ণপদক, ফিলিপস পুরস্কার ও একুশে পদক (মরণোত্তর) অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর গাইবান্ধার ফুলছড়ি ঘাটে সংবাদ সংগ্রহের সময় ফেরি থেকে পড়ে মারা যান মোনাজাতউদ্দিন।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]