• প্রচ্ছদ » লিড ১ » নাগরিকত্ব সংশোধনি আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এটার প্রয়োজন ছিলো না, গালফ নিউজকে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের সক্রিয় ভূমিকা কামনা


নাগরিকত্ব সংশোধনি আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এটার প্রয়োজন ছিলো না, গালফ নিউজকে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের সক্রিয় ভূমিকা কামনা

আমাদের নতুন সময় : 20/01/2020

সিরাজুল ইসলাম : ২] সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরকালে আবুধাবীতে গালফ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
৩] শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বুঝতে পারছি না, কেন তারা (ভারত সরকার) এ আইন করলেন। এটার প্রয়োজন ছিলো না।
৪] এ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৯ সালের অক্টোবরে আমার নয়া দিল্লি সফরের সময়ও প্রধানমন্ত্রী মোদী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।
৪] ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর ভারতের পার্লামেন্টে নাগরিকত্ব সংশোধনি আইন(সিএএ) পাস হয়। এতে নিপীড়নের মুখে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের আগে যেসব ধর্মীয় সংখ্যা লঘু (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান) সেদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ খুলেছে। +
৫] শেখ হাসিনা বলেন, ভারত থেকে কোনও অভিবাসী বাংলাদেশে আসার রেকর্ড নেই। তবে সেদেশের মানুষ অনেক সমস্যায় রয়েছেন। শেখ হাসিনা আরও বলেন, এ অঞ্চলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
৬] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যেখান থেকে ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট তৈরি হয়েছে মিয়ানমারে। এখন পর্যন্ত দুইটি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে, কারণ কোনও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় সেদেশে ফিরতে চায় না। এটা প্রমাণ করে যে মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে।
৭] শেখ হাসিনার মতে, বাংলাদেশ এই রোহিঙ্গাদের বোঝা অনির্দিষ্টকালের জন্যে বহন করতে পারবে না। তিনি বলেন, যদি এ সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে বিঘিœত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানান। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]