• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে চলছে নির্বাচনি প্রচারণা, ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন শব্দযন্ত্র, যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী


আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে চলছে নির্বাচনি প্রচারণা, ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন শব্দযন্ত্র, যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী

আমাদের নতুন সময় : 22/01/2020

রাজীব রায়হান : ২] সিটি নির্বাচনের দিন যত কাছে আসছে ততই প্রার্থীদের পক্ষে চলছে মাইকে প্রচারণা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন অলি-গলিতে উচ্চস্বরে বাজছে মাইক। পাশাপাশি চলছে নির্বাচনি গান-বাজনাও।
৩] প্রতিবাদ করেও লাভ হচ্ছে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকেও দেখা যাচ্ছে না কোনও ব্যবস্থা নিতে।
৩] সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬-তে মাইক্রোফোন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধে বলা হয়েছে ‘কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনও রাজনৈতিক দল, অন্য কোনও ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান একটি ওয়ার্ডে পথসভা বা নির্বাচনি প্রচারের কাজে একের অধিক মাইক্রোফোন বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী অন্যবিধ যন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনও নির্বাচনি এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা-বর্ধনকারী যন্ত্রের ব্যবহার দুপুর ২টার আগে এবং রাত ৮টার পরে করা যাবে না।’
৪] অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট আরিফ জেবতিক তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘অসহ্য শব্দদূষণে কাজকর্মে মনোযোগ দিতে পারছি না। ভাই, তোগো ভোট তোরা কর, আমাদের মাফ কর।’
৫] পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় মাইকের ব্যবহার সম্পর্কে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-তে বলা হয়েছে। সেটা পুলিশ ও কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে হবে। যদি ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকমতো আইনের ব্যবহার করতো, তাহলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই সহজ।’ সম্পাদনা : ভিক্টর রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]