কিডনি দানে এগিয়ে আছেন মা, বললেন অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ

আমাদের নতুন সময় : 22/01/2020

 

শাহীন খন্দকার : ২] মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং সোসাইটি অব অরগ্যান ট্রান্সপ্লানটেশনের এই প্রতিষ্ঠাতা আরও বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য দাতা বড় সমস্যা।
৩] সোসাইটি অব অরগ্যান ট্রান্সপ্লান্টের উদ্যোগে ‘মরণোত্তর অঙ্গ দান ও সংযোজন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ডা. অধ্যাপক হারুন বলেন, প্রতি বছর হাজার হাজার রোগী বাঁচিয়ে রাখতে কিডনি প্রতিস্থাপনের ওপর জোর দিতে হবে।
৪] তিনি বলেন, দেশে ৩০৬ কিডনি ডোনারের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে যত কিডনি প্রতিস্থাপন হয়, তাদের ৬০শতাংশ (১৮৯ জন) দাতা মা। অবশিষ্ট দাতাদের মধ্যে ৩৪ শতাংশ (১০২ জন) ভাই-বোন, ২ দশমিক ৬ শতাংশ (৮ জন) স্বামী-স্ত্রী এবং ২ দশমিক ৪ শতাংশ (৭ জন) অন্যান্য আত্মীয়।
৫] ডা. হারুন অর রশিদ বলেন, দেশে প্রতিবছর ৪০ হাজার মানুষ কিডনি বিকল হয়ে মারা যায়। কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার, ডায়ালাইসিস মেশিন ও প্রশিক্ষিত জনবলের অভাবে এসব রোগীর মধ্যে মাত্র ১০ হাজার চিকিৎসা পায়। অবশিষ্ট ৩০ হাজার রোগীর মধ্যে অল্প সংখ্যক কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া অধিকাংশই প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান।
৬] তিনি বলেন, জনসচেতনতাবৃদ্ধির মাধ্যমে জীবিত মানুষকে কিডনি দানে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্ট (ব্রেন ডেথ ঘোষিত রোগীর কিডনি, হার্ট, লাং,চোখ) অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দানে উৎসাহিত করতে হবে। সম্পাদনা: সিরাজুল ইসলাম




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]