• প্রচ্ছদ » » সাগর-রুনির হত্যার বিচার হলে কারও কি লাভ-ক্ষতির বিষয় আছে?


সাগর-রুনির হত্যার বিচার হলে কারও কি লাভ-ক্ষতির বিষয় আছে?

আমাদের নতুন সময় : 13/02/2020

ফারুক আস্তানা : সাগর-রুনির হত্যার বিচার হলে কারও কী লাভ-ক্ষতির বিষয় আছে! তাহলে সেটা কী? কোন সে শক্তি যারা এমন একটা ঘটনা ঘটানোর পরেও সেটা বিচারকার্য বিলম্ব করতে পারছে সঠিক তদন্ত হতে দিচ্ছে না। একটা দেশে সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র সে শক্তির কাছে পরাজয় বরণ করে বসে আছে, বলতেও ভয় পায় বা বলতে পারছে না! দানবীয় শক্তিটা কী এবং কে? সরকার যদি সে চক্রের কাছে অসহায় বোধ করে থাকে তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কেন মোকাবেলা করতে পারছে না বা করছে না কেন? সরকার কি তাহলে কিছু লুকাতে চাইছে? নাকি সরকারই বড় বাধা হয়ে আছে। খুনি চক্র কি সরকারের সুরক্ষায় আছে? তা না হলে বিচারকার্য কেন বিলম্ব হচ্ছে বা করছে? এই সরকার যতোদিন ক্ষমতায় আছে ততোদিন এভাবে চলবে একের পর এক মামলার তারিখ পরির্বতন হতেই থাকবে যে সময় চেয়ে যাবে আর আদালত দিয়ে যাবেন।
এসব সাগর-রুনির হত্যা মামলার অগ্রগতি না হওয়াতে হতাশা থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত ভাবনা যা ইতোমধ্যে জোরালো যুক্তি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে বা গেছে। জনগণের মনে এমন ধারণা পোষণ করার যথেষ্ট কারণও আছে। যেখানে ব্যক্তির স্বার্থের কাছে দেশ অসহায়। সেখানে একটা হত্যা মামলার বিচারকার্য থামিয়ে দেওয়া অমূলক কোনো চিন্তা ভাবনা নয়। এটা আরও শক্তিশালী হয়েছে। মামলার তদন্ত নিয়ে লুকোচুরি খেলার কারণে নতুন নতুন তথ্য সামনে নিয়ে আসা। রাতারাতি চরিত্র বদলের দৃশ্য। যারা বিচারের প্রতিবাদ করে রাজপথ কাঁপিয়েছে। সেই কণ্ঠ কিছুদিন পর সরকারের মুখপাত্র হয়ে কথা বলছে। বিচারের বাণী শোনাচ্ছেন। এতে করে পাবলিক মনে করছে খুনি ও বিচারপ্রার্থী মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। এই মামলার সুষ্ঠুতা হবে বলে ভিকটিম পরিবারগুলো মনে করছে না। হাল ছেড়ে দিয়েছে, মানুষ হতাশায় ভুগছে। এতোদিন কর্তৃপক্ষ বড় গলায় বলে আসছিলো দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন। সরকার হস্তক্ষেপ করে না। সে যুক্তি অন্তত এঘটনার পর আর টিকবে কিনা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]