• প্রচ্ছদ » » বাকস্বাধীনতাকে রক্ষা করাই রাষ্ট্রযন্ত্রের কাজ হওয়া উচিত


বাকস্বাধীনতাকে রক্ষা করাই রাষ্ট্রযন্ত্রের কাজ হওয়া উচিত

আমাদের নতুন সময় : 17/02/2020

সুব্রত বিশ্বাস

যে কোনো বিরোধকেই (ডিসেন্ট) দেশবিরোধী বা গণতন্ত্রবিরোধী তকমা দেওয়া সাংবিধানিক মূল্যবোধের গোড়ায় আঘাতের শামিল, বিরোধিতা হলো গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ (সেফটি বাল্ব)। ‘গণতন্ত্রে সংখ্যালঘুর কণ্ঠরোধ করা যায় না। বরং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত’। তার কথায়, ‘সংবিধানের উদার প্রতিশ্রæতির মধ্যেই বহুত্ববাদকে সম্মান করার কথা বলা হয়েছে। বৈধ সরকার রাজনৈতিক বিরোধিতার উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপায় না। বরং তাকে স্বাগত জানায়’। কোনো আইনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানালেই কাউকে বিশ্বাসঘাতক বা দেশবিরোধী তকমা দেওয়া যায় না। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উচিত আইন মেনে চলা। প্রশ্ন ও বিরোধের পথ বন্ধ করে দিলে রাজনৈতিক, আর্থিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বৃদ্ধির পথ বন্ধ হয়ে যায়।
বাকস্বাধীনতাকে রক্ষা করাই রাষ্ট্রযন্ত্রের কাজ হওয়া উচিত। ভীতি ছড়িয়ে বাকস্বাধীনতার অধিকার হরণের চেষ্টা করা হলে রাষ্ট্রযন্ত্রের উচিত সেই চেষ্টার বিরোধিতা করা। গণতন্ত্র বহুত্ববাদের উপরে ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছিলো। তাই এ দেশের জাতীয় ঐক্যের অর্থ হলো বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বোধের মেলবন্ধন ও সংবিধানের মূল ধারণাগুলোর প্রতি বিশ্বস্ত থাকা। তার কথায়, ‘মনে রাখতে হবে আমাদের সংবিধান প্রণেতারা হিন্দু বা মুসলিম বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বোধের মেলবন্ধন ভাবনাকে স্বীকার করেননি। কেবল প্রজাতান্ত্রিক ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন’। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]