• প্রচ্ছদ » » শিক্ষকদের কাজ নির্বাচন করা নয় নির্বাচন যদি করতেই হয়, তাহলে তা নিজেদের মধ্যে রাখাই কি যুক্তিযুক্ত নয়?


শিক্ষকদের কাজ নির্বাচন করা নয় নির্বাচন যদি করতেই হয়, তাহলে তা নিজেদের মধ্যে রাখাই কি যুক্তিযুক্ত নয়?

আমাদের নতুন সময় : 19/02/2020

মোহাম্মেদ বাছিত

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি হলো শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের মুখপাত্র। প্রতিবছর শিক্ষক সমিতিসমূহের নির্বাহী কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন হয়। ইদানীং দেখতে পাই শিক্ষকেরা নির্বাচনী প্রচারণা চালান পাবলিক ডোমেইনে অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেখানে ছাত্ররাও বিভিন্ন কমেন্ট করে, শিক্ষকদের জন্য শুভ কামনা করে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনী ফলাফল ফেসবুকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওইখানে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে কোন শিক্ষক কতো ভোট পেয়েছেন। ফেসবুক থেকে পাওয়া ওই ছবি সংযুক্ত করলাম, নামগুলো মুছে দিয়েছি। এই ছবির তথ্য প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্ররা পড়েছে এবং কমেন্ট করেছে। ছাত্রদের বিভিন্ন ফোরাম থেকে বিজয়ী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানানো হচ্ছে, বিজয়ী শিক্ষকেরাও কৃতজ্ঞতাবশত ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
শিক্ষকদের কাজ তো নির্বাচন করা নয়। নির্বাচন যদি করতেই হয় তাহলে এগুলো নিজেদের মধ্যে রাখাই কি যুক্তিযুক্ত নয়? যে শিক্ষক খুব অল্প ভোট পেয়েছেন পরোক্ষভাবে হলেও কি তিনি ছাত্রদের কাছে ছোট হচ্ছেন না? ক্লাসে কি তিনি ছাত্রদের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেন? একজন শিক্ষক ছোট হওয়া মানে তো সব শিক্ষকই ছোট হওয়া। এভাবেই দিনে দিনে আমরা পড়াশোনা এবং গবেষণা থেকে দূরে সরে গিয়ে ছাত্রদের কাছে নিজেদের ছোট করছি, এই মহান পেশাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করছি। এ দেশেই একসময় স্কুলের শিক্ষকেরাও অনেক বিদ্বান ছিলেন, পÐিত ছিলেন, জ্ঞানী ছিলেন। তাই সঙ্গত কারণেই সমাজে তাদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ছিলো। আর এখনকার অবস্থা কী সবাই কমবেশি জানি। যতোদিন না আমরা শতভাগ শিক্ষক পরিচয় নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারবো, আত্মসম্মানবোধে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গর্ব করতে না পারবো, ততোদিন মানুষের কাছ থেকে এমনকি সরকারের কাছ থেকে মর্যাদা প্রত্যাশা করা অনুচিত। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]