• প্রচ্ছদ » » গ্রামীণফোনের টাকা আদায়ের কৌশল ও বিটিআরসির দৌড়াদৌড়ি


গ্রামীণফোনের টাকা আদায়ের কৌশল ও বিটিআরসির দৌড়াদৌড়ি

আমাদের নতুন সময় : 22/02/2020

সুলতান মির্জা

নিজের কথা বলি, গ্রামীণের পোস্টপেইড দুই সিম চালাই আমি। দুই নম্বরের আলাদা আলাদা বিল পরিশোধের শেষ তারিখ হয়। আমার ডিপোজিট অনুযায়ী ক্রেডিট লিমিট একটা নম্বরের ৫০০০ টাকা, আরেকটা নম্বরের ৩০০০ হাজার টাকা… আগে ১০০ বা ২০০ টাকা ফ্লেক্সির মাধ্যমে পরিশোধের মধ্যেই থাকতাম, কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই কিস্তি পরিশোধ বন্ধ রেখেছি, বোঝার জন্য আসলে গ্রামীণফোন কারও কাছে বকেয়া পাওনা টাকা রেখে ঠিক কীভাবে শান্তিতে ঘুমাতে পারে সেটা বোঝার জন্য। হ্যাঁ টাকার পরিমাণ অল্প সমস্যা নেই, কিন্তু অল্প টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া দেখে এটুকু বোঝার চেষ্টা করছি গ্রামীণফোন কারও কাছে ১২ হাজার কোটি টাকা পেলে টাকা আদায়ে ঠিক কী ধরনের কেয়ামত হতো। স্রেফ ৩০০০ টাকা বকেয়া আদায়ে, গ্রাহককে গ্রামীণফোন ১২১ নম্বর থেকে প্রতি ঘণ্টায় স্বয়ংক্রিয় নয় ডাইরেক্ট তাগাদা। ঘণ্টায় একবার করে কল দিতেই থাকবে, ধরেন আপনি কল ধরলেন না, কেটে দিলেন, সমস্যা নেই… ১২১ থেকে আপনাকে কল দেবে না, ০১৭১১৫৬৭৮৯০ নম্বর থেকে আপনাকে কল দেবে, দিতে থাকবে, আপনি কল ধরবেন না, কেটে দেবেন সমস্যা নেই, ০১৭৭০৭০৭ টাইপের একটা নম্বর থেকে আপনাকে কল দেবে। আপনি ধরলেন না, সমস্যা নেই, আপনার নম্বরের আউটগোয়িং বন্ধ করে দেবে।
এবার আপনি কি করবেন? কল করতে চাইলে বাধ্য হয়ে গ্রামীণফোনের সঙ্গে যোগাযোগ করতেই হবে, ফোন দিলেন কথা বললেন, আপনার কাছে গ্রামীণফোন পাওনাদার ৩০০০ টাকা, যদি বলেন ২০০ টাকা ফ্লেক্সি দিই লাইনটা চালু করে দেন, কাজ হবে না প্রস্তাব দেন ৫০০ টাকা দেবেন সংযোগ সক্রিয় করে দিতে। কাজ হবে না… অর্থাৎ পুনরায় সংযোগ সক্রিয় করতে চাইলে আপনাকে ঠিক ৩০০০ হাজার টাকা পেইড করতে হবে তারপর সংযোগ অ্যাক্টিভ হবে। আর গ্রামীণফোনের সঙ্গে গত কয়েকমাস ধরে আমি এটাই করছি। কোনো লাভ নেই, স্রেফ এমনি। এই হলো গ্রাহকের কাছ থেকে তাদের টাকা রিকোভারি প্রক্রিয়া। প্রশ্ন হচ্ছে রাষ্ট্র তথা বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছে কতো টাকা পায়? ১২ হাজার+ কোটি টাকা এই তো। রাষ্ট্র বা বিটিআরসি ঘুমায় কেমনে? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]