• প্রচ্ছদ » » বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা আগের মতোই


বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা আগের মতোই

আমাদের নতুন সময় : 22/02/2020

কামরুল হাসান মামুন

ব্রাভো বুয়েট। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) আগের মতোই স্নাতক প্রথমবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ তারা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের ফাঁদে পা দেয়নি। যেকোনো বিচারে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার মান নিয়ে গর্ব করার মতো। যেই সিস্টেমে কোনো সমস্যা নেই, যেটা নিয়ে গর্ব করা যায় সেই সিস্টেম যদি সরকার ও ইউজিসির খপ্পরে পড়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় যেতো ডিজাস্টার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো। আমি সবসময়ই বলি বাংলাদেশের পারস্পেক্টিভে বুয়েটকেই মনে হয়েছে সত্যিকারের বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে উনিভার্সালিটি আছে। ওখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দ্বিতীয় পরীক্ষক তৃতীয় পরীক্ষকের বালাই নেই। যে যেই কোর্স পড়াবে সেই প্রশ্ন করবে এবং কেবল সেই খাতা দেখবে। এর অর্থ হলো এক শিক্ষক অন্য শিক্ষককে বিশ্বাস করেন। আমি যখনই আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীদের সঙ্গে এক্সটার্নাল এক্সামিনার সিস্টেম বাদ দেওয়ার কথা বলি অমনি এক গাদা সন্দেহের তীর ছুড়ে মারে। স্বজনপ্রীতি হবে, নম্বর নিয়ে কারসাজি হবে ইত্যাদি। যারা বলে তাদের মান নিয়েই আমার সমস্যা। যে নিজে সৎ সে সহজে কাউকে সন্দেহ করবে না। যদি শিক্ষককে সন্দেহই করা যায় তার মানে তার শিক্ষক হওয়ারই যোগ্যতা নেই। আমি আশা করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও ইউজিসির প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে যাবে না। প্রয়োজনে আমরা ভর্তি পরীক্ষার ফি কমাতে পারি। দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য ফি মওকুফ করতে পারি। আর বিত্তশালী মানুষদের আমরা আহŸান জানাতে পারি ওই সময় ছাত্রছাত্রীদের সাহায্যের হাত যেন বাড়িয়ে দেয়। সারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অযোগ্য, অথর্ব, দলকানাদের শিক্ষক বানিয়ে তাদের বড় বড় পদে বসিয়ে এখন তাদের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পাঁয়তারা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]