• প্রচ্ছদ » » আমাদের পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত সর্বত্র স্বৈরাচারের বীজ


আমাদের পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত সর্বত্র স্বৈরাচারের বীজ

আমাদের নতুন সময় : 23/02/2020

কামরুল হাসান মামুন

রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা যেমন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কেন্দ্রীভ‚ত তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব ক্ষমতাও ভিসিদের মধ্যে কেন্দ্রীভ‚ত। তাই রাষ্ট্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় কেউই ভালো নেই। কিছুটা কেন্দ্রীভ‚ত ভালো যদি রাষ্ট্রের ক্ষমতার স্ট্রাকচার পিরামিডের মতো হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এটা ডেল্টা ফাঙ্কশনের মতো যেখানে একটি সিঙ্গেল ঢ়বধশ আর এর দুই পাশে কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা প্রকাশ করে ফেলেছেন যে ৭ কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে ব্যাস। প্রধানমন্ত্রী বলে ফেলেছেন যে পিইসি জেএসসি ইত্যাদি পরীক্ষা আমাদের ছেলেমেয়েদের পরীক্ষাভীতি কমাবে ব্যাস। এখন আর এ সবের লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা মানে তাকে অবমাননা। রাষ্ট্রের আলোচনাকে আজ এই পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি।
পৃথিবীতে আরেকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় দেখান যেখানে ভিসিরা সব নিয়োগ কমিটিতে থাকে। পৃথিবীতে আরেকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় দেখান যেখানে ভিসিদের সব অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে হয়। সব কিছুতে স্বাক্ষর করতে হয়। সব কিছুর মধ্যমণি হতে হয়। রাষ্ট্রেও তাই। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর না হলে এই রাষ্ট্রের কোনো অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার হয় না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া কোনো মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ করতে পারে না। আমাদের পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় অফিস, আদালত সর্বত্র স্বৈরাচারের বীজ। একটি দেশ তাহলে কি করে গণতান্ত্রিক হবে?
নির্বাচিত মন্তব্য : বিমল সরকার- সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া একা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কোনো কিছু করা সম্ভব বা সহজ নয়। অথচ ক্ষেত্রবিশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাও সঠিকভাবে আমলে নেওয়া হচ্ছে না। ২০১৪ সালে তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনতা থেকে ডিগ্রি কলেজগুলোকে পুরনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধীনে নিয়ে আসতে। সুদীর্ঘ ৩ (তিন) বছর পর ২০১৭ সালে কেবল ঢাকা শহরের ৭টি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনতে সক্ষম হয়Ñ তাও কতো টানাপোড়েন-আন্দোলন-দেনদরবারের মাধ্যমে। এখন ২০২০ সাল। কিন্তু সারাদেশের দুই হাজারের বেশি ডিগ্রি কলেজ তো দূরের কথাÑ এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উল্লিখিত ৭ কলেজের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে কি স্বস্তি ফিরে এসেছে? বলা হলো পিইসি-জেএসসি এমন সব পরীক্ষা কোমলমতি শিশু-কিশোর পরীক্ষার্থীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করবে। এখন আবার বলা হচ্ছে, এসব পরীক্ষা আসলে বোঝাÑ দরকার নেই, কমিয়ে ফেলা হবে। প্রকৃত অর্থে আমরা যে কী চাই, তাও বোধ করি সঠিকভাবে জানি না। আমাদের স্থিরতা দরকার, স্থিরতা ও দৃঢ়তা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]