• প্রচ্ছদ » » বাংলাদেশে ব্যাপকারে নারীবাদের পুনর্পাঠ দরকার


বাংলাদেশে ব্যাপকারে নারীবাদের পুনর্পাঠ দরকার

আমাদের নতুন সময় : 23/02/2020

আরিফুজ্জামান তুহিন : নারীর সমমর্যাদায় প্রধান বাধা পুঁজিবাদ। আবার পুঁজিবাদ নিজেই একটা পুরুষতন্ত্র। কিন্তু মধ্যবিত্ত পুরুষ নারীর সমমর্যাদায় কম বাধার নাম নয়। নারী ও পুরুষের সমান মর্যাদার রাষ্ট্র, অর্থনীতি, সমাজ নির্মাণে শুধু আইন পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, দরকার পরিবার থেকে নারী সম্পর্কে আমূল পরিবর্তনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব। যেমন নারী হলো মা, প্রেমময়, মাতৃস্থানীয়, ক্ষমাশীল, দুর্বল, ভিরু, শক্তিহীন, পাপাচারিণী, কলঙ্কিনী, বেশ্যা, অপবিত্র, মায়াবিনী, ছলনাকারী ইত্যাদি। শব্দ হিসেবে এর কিছু কিছু পুরুষ প্রেম হিসেবে চালিয়ে দেয়। বাস্তবে এগুলো নারীকে তার অধীনে নেওয়ার যুদ্ধের কৌশল। পুরুষটি এতো কিছু না ভেবেও তাকে পেতে এবং শেষতক কব্জা করতে এসব শব্দ ব্যবহার করেন। বাকিগুলো সরাসরি আধিপত্যমূলক পুরুষতন্ত্রের ন্যারেশন। নারী এমন সত্তা তাকে বিধাতাও চিনতে পারে না এমন বাক্য নির্মাণকারী এ দেশে ব্যাপকারে নারী কর্তৃক পূজিত হন। তার মানে নারী হলেই তিনি নারীর অধঃস্তনকারীদের চিনবেন এমনটি নয়। আবার নারী-পুরুষের সমতা বাদ দিয়েও নারীর মর্যাদার কথা বলাটাও শয়তানী। নারী হলেন সমাজের সব থেকে নির্যাতনের শিকার এক মানবধারা, যারা এমনকি সর্বহারা শ্রেণির মধ্যেও সর্বহারা। পুরুষ ও নারীর মধ্যে নারীর পক্ষে অধিক প্রগতিশীল ও বিপ্লবী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নারীবাদ শহরের এলিট নারীদের কাজ নয়, মূলত তা নারী-পুরুষের সমর্যাদার রাষ্ট্র গঠনের লড়াইয়ের ব্যাপার, এটা নিছক লাগালাগির বিষয় নয়। লাগানোর জন্য নারীবাদ সুবিধার কিছু নয়, বরং বিদ্যমান পুঁজিবাদী পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতিতে সেটা বেশি সহজ। বাংলাদেশে ব্যাপকারে নারীবাদের পুনর্পাঠ দরকার। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]