• প্রচ্ছদ » » ভিখেরিদের মধ্যে সাধারণত অসততা থাকে না, একবার ভিখেরি হয়ে দেখুন আপনার অহমিকা দূর হয়ে যাবে


ভিখেরিদের মধ্যে সাধারণত অসততা থাকে না, একবার ভিখেরি হয়ে দেখুন আপনার অহমিকা দূর হয়ে যাবে

আমাদের নতুন সময় : 26/02/2020

ইমতিয়াজ মাহমুদ

ভিক্ষা ব্যাপারটা খারাপ নয়। এই অধমসহ এই ঢাকা শহরে অনেক বয়স্ক লোককেই পাবেন জারি জীবনে কোনো না কোনো সময় ভিখেরি হওয়ার আকাক্সক্ষা পোষণ করেছে। আমাদের উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে ভিখেরি বা ফকিরকে সম্মানের চোখেই দেখা হয়। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তো বিধানই আছে যে হাতে ওই বড় পাত্রটা নিয়ে ভিক্ষার জন্য বের হতে হয়। আমি তো প্রস্তাব করি যে প্রতিটা মানুষকেই জীবনে অন্তত কিছুদিন, আইডিয়ালি বছরে অন্তত একদিন ভিক্ষায় বের হওয়া উচিত। তাতে করে কী হবে? বছরে অন্তত একদিন যদি আপনি ভিখেরি হয়ে মানুষের কাছে হাত পাতেন তাতে করে আপনার ভেতরের অহমিকা দূর হয়ে যাবে। সব অহমিকা না হোক, অন্তত শতকরা ষাট থেকে পঁচাশি ভাগ অহমিকা দূর হয়ে যাবে। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। ভিখেরি হয়ে দেখেন, অহমিকা দূর হবে আবার সেই সঙ্গে অনেক মানুষকেও চিনতে পারবেন। মানুষের যে রূপটি আপনি সচ্ছল নাগরিক হয়ে সংসারী বা গৃহিণী হয়ে দেখতে পাবেন না, ভিখেরি হয়ে দেখেন, মানুষের সে সব বিচিত্র রূপ আপনার চোখের সামনে দৃশ্যমান হয়ে যাবে।
আরেকটা কথা মনে রাখবেন, খুব বেশি লোভী মানুষ ভিখেরি হয় না। লোভীরা হয় দুই প্রকার : একদল হয় উদ্যোক্তা, আরেকদল হয় প্রতারক চোর প্রবঞ্চক ছিনতাইকারী বা তদবিরবাজ ইত্যাদি। লোভীদের মধ্যে কিঞ্চিৎ অসততাও থাকেÑ কারও মধ্যে অধিক কারও মধ্যে অল্প। কিন্তু ভিখেরিদের মধ্যে সাধারণত অসততা থাকে না। একবার ভিখেরি হয়ে দেখুন আপনার অহমিকা দূর হয়ে যাবে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]