• প্রচ্ছদ » » আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে আমরা ভাববো না?


আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে আমরা ভাববো না?

আমাদের নতুন সময় : 22/03/2020

মুশফিক ওয়াদুদ

প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী নতুন করে করে বহু মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে মৃত্যুবরণ করছেন। আর আমরা কেউ হোম কোয়ারান্টাইন নিয়ে রোমান্টিকতার আলাপ করছি, কেউ সুস্বাদু রান্না করে ফেসবুকে পোস্ট করছি, আর বেশিরভাগই হিউমারানি করছি। কেউ কেউ বলছেন এ সব হালকাভাবে নিলেই ভালো। কেউ কেউ বলছেন অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। অবশ্যই আতঙ্কিত হয়ে কোনো লাভ নেই, সাহসিকতার সঙ্গে কী কী করতে পারি ভাবতে হবে, কিন্তু যে পরিবারটিতে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন, যে পরিবারটিতে কেউ মৃত্যুবরণ করছেন অথবা যে পরিবারটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা কীভাবে হালকাভাবে নেবেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় তারাও আপনার এই হালকা/হিউমারানি পোস্টগুলো দেখছেন। অন্যের বিপদে আমরা কেউ হাসছি আর কেউ গজব বলে ঠিকই আছে বলছি। পৃথিবী এতোটা অমানবিক আগে কখনো হয়তো ছিলো না। এটা একটি কঠিন সময়। অন্তত ১০০ বছরে এমন কিছু আর আসেনি এমনটাই ইতিহাসবিদরা বলছেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অন্য যেকোনো সংকটে আশপাশের মহৎ মানুষদের পাশে পাওয়া যেতো, কিন্তু এটা এমন একটি বিপদ যে কাউকে পাশে পাবেন এই নিশ্চয়তা প্রায় শূন্য।
আমাদের হাসাহাসি এবং হিউমারানির সবচেয়ে বড় কারণ মনে হয় এটা যে তরুণদের মৃত্যুর ঝুঁকি কম সে জন্য। এমন ভাবনা যদি থেকে থাকে সেটা বড় ধরনের স্বার্থপরতা হবে। আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠদের নিয়ে আমরা ভাববো না? করোনাভাইরাস অবশ্যই হাসাহাসির বিষয় নয়, সিরিয়াস একটি বিষয়। যারা বিশ্বাসী তাদের আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া উচিত, সাহায্য চাওয়া উচিত। আর বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী সবারই কীভাবে এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারি, যে মানুষগুলো বাজার থেকে বেশি দামে খাবার কিনতে পারছেন না কীভাবে তাদের সাহায্য করতে পারি, অর্থনীতিতে যে ধাক্কা আসছে কীভাবে তা কমাতে পারি ভাবা উচিত। আর অন্য কিছু না পারলেও আক্রান্ত মানুষদের এবং তাদের পরিবারের সম্মানে অন্তত হিউমারানি বন্ধ করতে পারি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]