• প্রচ্ছদ » » ৪৯ বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশে^ বাংলাদেশ একটি উদ্দীপক রাষ্ট্র হিসেবে আবিভর্‚ত হয়েছে, বললেন ড. আতিউর রহমান


৪৯ বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশে^ বাংলাদেশ একটি উদ্দীপক রাষ্ট্র হিসেবে আবিভর্‚ত হয়েছে, বললেন ড. আতিউর রহমান

আমাদের নতুন সময় : 26/03/2020

আশিক রহমান : বাংলাদেশ ব্যংকের সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ অনেকদিক থেকেই সফল। কীভাবে, কোন দিক দিয়ে? দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে। সামাজিক উন্নয়ন ঘটেছে। মানুষে আয়-আয়ু বেড়েছে। যা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা চেষ্টা করে যাচ্ছেন সব বিরূপ পরিবেশ-প্রতিক‚লতা মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। যারা বঙ্গবন্ধুকে পছন্দ করেন না, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন না, তারা বসে নেই। বিভিন্ন রূপ ধারণা করে চেষ্টা করছেন কোনোভাবে শেখ হাসিনাকে অস্বস্তিতে ফেলা যায় কিনা। আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে, বঙ্গবন্ধুকন্যা যেন একটা স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে পারেন।তিনি আরও বলেন, কিছু চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে আছে, তা অত্যন্ত দক্ষমতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে হবে। কেননা বিশ^ অর্থনীতি মন্দার কবলে পড়তে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। বিশ^ অর্থনীতি এখন নি¤œগামী। পাশের দেশ ভারতের প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিকালের মধ্যে সব চেয়ে নি¤œ। চীনের প্রবৃদ্ধিও কমছে। এসবের প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। ফলে যেসব নীতিমালা আমাদের জন্য আগে খুব ইতিবাচক ফল দিয়েছে, সেগুলোর প্রতি নতুন করে দৃষ্টি দিতে হবে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং গরিবমুখী যেসব নীতিমালার দিকে বঙ্গবন্ধু নজর দিতেন, সেদিকেও বঙ্গবন্ধুকন্যাও নজর দিচ্ছেন, কিন্তু ওই জায়গাটা থেকে যেন আমরা কোনোভাবেই সরে না যাই। যখন সমাজে, রাষ্ট্রে দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসনের নিশ্চয়তা দিতে হবে, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিতে শুরু করেছেন। বঙ্গবন্ধু যেরকম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, তা গড়ার ক্ষেত্রে কোনো আপোস করা যাবে না। যারাই এখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের মোকাবেলা করতে হবে সততা দিয়ে, নীতি দিয়ে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়তে গেলে যে ধরনের অবকাঠামো দরকার, সেসবও গড়ে উঠছে। অবকাঠামো উন্নয়ন বাস্তবায়নে যেন কেউ প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে আমাদের। যেসব মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা, তা দ্রæত বাস্তবায়ন করতে হবে।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রচুর গলদ রয়ে গেছে, তা দূর করতে হবে। যেরকম শিক্ষাব্যবস্থা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন তা দাঁড় করাতে হবে। যে রকম চেহারা দিতে চেয়েছিলেন সমাজ ও গণতন্ত্রকে, সেরকম একটা সমাজ যাতে আমরা তৈরি করতে পারি, সেজন্য সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র যোগসূত্র বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমাদের, এই যোগসূত্র রক্ষা করতে হলে তার হাতকে আমাদের শক্তিশালী করতেই হবে। বঙ্গবন্ধুর আকাক্সক্ষার বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে দিয়েই বাস্তবায়ন সম্ভব। কারণ বঙ্গবন্ধু কী চেয়েছিলেন শেখ হাসিনাই কেবল খুব ভালো করেই বোঝেন। কারণ অন্য যে কারোর চেয়ে তিনিই বঙ্গবন্ধুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। ফলে শেখ হাসিনাকে আমাদের অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যেতে হবে, যে যেখানেই থাকি না কেন। আমরা যদি প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে তাকে সমর্থন দিই, তাহলে বাংলাদেশকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবেন তিনি। তার সেই সামর্থ্য ও সাহস আছে বলেই বিশ^াস আমার।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]