করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব নয়, বলুন শারীরিক দূরত্ব

আমাদের নতুন সময় : 03/04/2020

নাঈমুল ইসলাম খান : পৃথিবীর দেশে দেশে চিকিৎসক ও বিষয় বিশেষজ্ঞরা করোনা মোকাবেলায় গুরুত্ব দিচ্ছেন একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির শারীরিক দূরত নিশ্চিত করতে। একে সাধরণভাবে বলা হচ্ছে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং।
কিন্তু সোশ্যাল ডিসটেন্সিং অনেক নির্দয় ও নিষ্ঠুর। এমনকি অ-সামাজিক প্রস্তাবও।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রবক্তারা মানুষের সাথে মানুষের সামাজিক ও মানসিক দূরত্ব বাড়ানোর কথা মোটেই বোঝাচ্ছেন না। তারা কেবলই পরিবারের ভিতরে, পাড়া-মহল্লা বা জাতীয় জীবনে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা মেপে মেপে চারফুট দূরত্ব বজায় রাখা, করমর্দন ও কোলাকুলি পরিহার করা ইত্যাদির উপর জোর দিচ্ছেন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলতে বলতে অগোচরে আমরা অনেক প্রান্তিক ও জেষ্ঠ্য জনকে হয়তো অসহায়ত্বে দূরে ঠেলে দিচ্ছি। এটা আমাদের কাম্য হতে পারে না।
আজকে মোবাইল টেলিফোনের সহজলভ্যতা ও সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক প্রসার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেও আত্মিক বন্ধন, সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করা এমনকি মানুষে মানুষে দূরত্বের মধ্যেও সময় কাটানোর অপার সুবিধা হাতের মুঠোয় দিয়ে রেখেছে।
একটি মোবাইল ফোনের মধ্যেই খবরাখবর পাওয়া, শিক্ষা, আনন্দ ও বিনোদনেরও সুযোগ রয়েছে যা এই করোনা সময়ে আমাদের অনেক কাজে আসছে।
আসুন আমরা সবাই সামাজিক দূরত্ব না বলে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]