• প্রচ্ছদ » » দুর্ভিক্ষ, একটা অভাবের দিন আসছে, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে


দুর্ভিক্ষ, একটা অভাবের দিন আসছে, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে

আমাদের নতুন সময় : 05/04/2020

বিপুল জামান

একটা দুর্ভিক্ষ, একটা অভাবের দিন আসছে তা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। আমি তাই মাকে বললাম, ভাতের মাড় ফেলে দিয়ে লাভ কী। আপনি মাড় গালায়ে আমারে বলবেন। গরম গরম মাড় আমি একটু লবণ ছিটায়ে খেয়ে ফেলবো। একদিন যায়, দুদিন যায়। ভাত খেতে যখন মা ডাকে তখন মাকে বলি, কই আপনি তো মাড় গালায়ে আমারে ডাকলেন না? মা প্রতিদিনই বলে, মনে ছিলো না। কাল মনে করায়ে দিবানে। খাওয়ার টেবিলে এইসব কথাবার্তা শুনে আব্বা ভ্রƒ কুঁচকায়ে থাকে। বোঝা যায় বিরক্ত তিনি। বোধহয় ছেলে ভাতের মাড় খাবে তা মেনে নিতে পারছেন না। এটা তার সক্ষমতার উপরে সন্দেহ প্রকাশ করাও বটে। একটু ঈষৎ উষ্মার সঙ্গেই বললাম, একটু হিসেব করে চললে সমস্যা কী? কী এমন রাজা বাদশা আমরা? পরে কি হবে তার কোনো ঠিক ঠিকানা আছে? আমার রাগতস্বর শুনে মা আব্বার দিকে তাকালেন। সেই দৃষ্টিতে আছে আকুতি, রাগ না করার। আমি বুঝলাম, আব্বার আদেশেই মা এতোদিন আমাকে মাড় খেতে দেন নাই। আব্বা খুব বিরক্ত এবং উষ্মার সঙ্গে বললেন, এই বাড়িতে শুধু তোমার জন্যই রান্না হয় ব্যাপারটা তো তা নয়। ভাতের মাড় ওই যে বাইরে আর ভেতরে দুটো মালসায় রেখে আসা হয় আর আশপাশের কুকুর, বিড়াল এসে খেয়ে যায় সেটাও তুমি খেয়ে ফেললে হবে কী করে। যখন না খেয়ে থাকবো সবাই না খেয়ে থাকবো। কিন্তু আমরা খাবো আর অবলা জীবগুলো শুকনো মুখে ঘুরে বেড়াবে এটা তোমার কেমন বিবেচনা? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]