• প্রচ্ছদ » » মহামারী পরবর্তী যে খাদ্য ঘাটতি ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হবে, তার জন্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পরিকল্পনা কী?


মহামারী পরবর্তী যে খাদ্য ঘাটতি ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হবে, তার জন্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পরিকল্পনা কী?

আমাদের নতুন সময় : 05/04/2020

রিফাত হাসান

এপিডেমিকের পরে বিশ্বব্যাপী যে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেবে, এই অনুমানের জন্য গবেষণা লাগে না। মহামারী ও লকডাউনের পিরিয়ড হয়তো অল্প হতে পারে আমাদের, কিন্তু মহামারী পরবর্তী যে খাদ্য ঘাটতি ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হবে, তার জন্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পরিকল্পনা কী? ‘পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে’ ধরনের ঠুয়া?
আমি মনে করি, এই যে আন্তঃদেশীয় লকডাউন, তা সাধারণভাবে খুললেও খাদ্য ও অন্যান্য সরবরাহ প্রশ্নে সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। বরং এটার প্রশ্নেই নানা আন্তঃরাষ্ট্রীয় ও পরাশক্তির ইনভেশন হবে দেশে দেশে। ফলত এখনোই আমাদের নিজস্ব রিসোর্স যেমন চাষের জমিগুলোকে কীভাবে সর্বোচ্চ ইফেকটিভলি ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা ও কাজ শুরু করতে হবে। এক্ষুণি। কৃষিপণ্যের সাশ্রয়ী মূল্য কেবল নয়, প্রয়োজনীয় ভর্তুকি, দরকার হলে কৃষিপণ্য ফ্রি করে দেওয়া। যাতে কৃষক কাজ করতে উৎসাহী হয়। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]