• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজের মতে, লকডাউনকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ানো [২]সরকারের অর্থপ্রদান [৩]ত্রাণ বিতরণে সুষম বন্টন ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিতে হবে


[১]অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজের মতে, লকডাউনকালে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ানো [২]সরকারের অর্থপ্রদান [৩]ত্রাণ বিতরণে সুষম বন্টন ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিতে হবে

আমাদের নতুন সময় : 05/04/2020

দেবদুলাল মুন্না:[৪] জঁ দ্রেজ ভারতের রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপক। দ্য হিন্দু পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
[৫] তার প্রস্তাবগুলো হলো, লকডাউনের সময় সংকটগুলো হলো, একদিকে কাজ না পাওয়া, অন্যদিকে খাদ্যসামগ্রী যৎসামান্য যা ছিলো, তা দ্রুতই ফুরিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণির মানুষেরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্যসামগ্রী মজুত করে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। সেদিকে মনিটরিং করতে হবে।
[৬] দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য নগদ সহায়তা প্রয়োজন। সহায়তার মধ্যে রয়েছে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (পিডিএস) অধীনে রেশন ব্যবস্থা চালু করা। পিডিএসের খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার জন্য কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, আঙুলের ছাপের বায়োমেট্রিক যাচাইপদ্ধতি আপাতত মুলতবি রাখা দরকার। কারণ, এই পদ্ধতি অনেক প্রাপককে বাদ দেয় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
[৭] অধিকাংশই কম বেতনে চাকরি করেন ছোটখাটো ব্যক্তিমালিকানধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। সেগুলোর ওপর সরকারি নজরদারি খুব দুর্বল। এই দুই পক্ষের চিত্রেই অন্তত এটি পরিষ্কার যে এমন কিছু করতে হবে, যার মাধ্যমে ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে সামলানোর একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যায়। চাইলে পেনশনের টাকা অগ্রিম দেয়ার নতুন ব্যবস্থাও চালু করা সম্ভব। [৮] প্রচুর পরিমাণ ব্যাক্তিমালিকানাধীন গাড়িকে অ্যাম্বুলেন্স ও হোটেলকে হাসপাতালে পরিণত করা যায়। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]