• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]করোনা তা-ব থেকে দেশের অর্থনীতি ও মানুষকে রক্ষায় ৭২ হাজার ৭শ’ ৫০কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী


[১]করোনা তা-ব থেকে দেশের অর্থনীতি ও মানুষকে রক্ষায় ৭২ হাজার ৭শ’ ৫০কোটি টাকার আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 06/04/2020

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] পাঁচ আর্থিক প্যাকেজ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে। এই প্যাকেজে আর্থিক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জিডিপির ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। বিশ্বব্যাপি করোনা সংকটে দেশের অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে, তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী, ৪টি কার্যক্রম তুলে ধরা হয় কর্মপরিকল্পনায়।
[৩] প্রধানমন্ত্রী পুরো প্যাকেজে জোর দেন, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ, সামাজিক সুরক্ষা ও মুদ্রা সরবরাহ ব্যবস্থায়।
[৪] বড় শিল্প ও সেবাখাতের জন্য ৩০ হাজার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পসুদে ওয়াকিং ক্যাপিটাল বরাদ্দের ঘোষণা দেয়া হয়। বড় শিল্প ও সেবা খাতে সুদ নির্ধারণ করা হয় ৯ শতাংশ। এর অর্ধেক সুদ পরিশোধ করবে সরকার আর অর্ধেক মালিকরা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ৫ শতাংশ সুদ দিবে সরকার ও উদ্যোক্তারা দিবে ৪ শতাংশ।
[৫] করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরো বিস্তৃত করা হয়েছে। আরো ১৬০ টি উপজেলায় সকল দরিদ্র মানুষদের খাবার, ওষুধ, নগদ অর্থও প্রদান করা হবে।
[৬] অসংগঠিত শিল্পের শ্রমিকদের বিশেষ করে মুচি, বেদে, নাপিত, মাটির কাজ করেন, অস্থায়ী শ্রমিক, এধরণের নানা পেশার গরীব মানুষদের সেফটি নেটের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।
[৭] ব্যাংকগুলোতে নগদের জোগান বাড়াতে, রেপো ও সিআর আর কমানোর কথাও বলা হয়েছে। তবে সতর্ক করা হয়েছে যাতে মূল্যস্ফীতি না হয়।
[৮] রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিকদের বেতন আগের ঘোষিত ৫ হাজার কোটি রয়েছে।
[৯] শুধু খাদ্য নয়, গরীব মানুষদের নগদ টাকার যোগান বৃদ্ধির জন্য সরাসরি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে অর্থ দেয়া হবে।
[১০] এ ছাড়াও ওএমএস, জিআর কর্মসূচির অর্থ বৃদ্ধির কথা বলা হেয়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]