[১]ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’র নাম ২০০৪ সালে রেখেছিল থাইল্যান্ড

আমাদের নতুন সময় : 20/05/2020

দেবদুলাল মুন্না : [২] ওয়ার্ল্ড মিটিওরোলজিকাল অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউএমও) গতকাল জানায়, ক্রান্তীয় অঞ্চলের ৮টি দেশ প্রথমবার ২০০৪ সালে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য ৬৪টি নামের একটি তালিকা প্রকাশ করে। সেসময় থাইল্যান্ড ‘আস্ফান’ নামটি দিয়েছিল; যা এতোদিন ব্যবহৃত হয়নি। ৬৪ দেশের দেওয়া তালিকার শেষ নাম এটি, ১৬ বছর পর আঘাত হানছে। তবে পুরনো ৬৪টি দেশের তালিকা থেকে এই একটি অব্যবহৃত নাম সর্বশেষ ১৬৯ টি দেশের দেওয়া নতুন নামগুলোর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়ে।
[৩] দেশের আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে ২০০৭ সাল থেকে। ওই বছর নভেম্বরে আঘাত হানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’।
[৩] বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরসহ ভারত মহাসাগরের উত্তরভাগে যেসব ঘূর্ণিঝড় দেখা দেয়, সেগুলোর নামকরণের একটি প্রক্রিয়া আছে। এতে প্রধান ভূমিকা পালন করে ইন্ডিয়া মিটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি)।
[৪] এছাড়া প্রায় দুই দশক আগে ওয়ার্ল্ড মিটিওরোলজিকাল অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউএমও) সাহায্য করে ।
[৫] এদিকে ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস জানায়, গত মাসে ১৬৯টি নামের একটি নতুন তালিকা প্রকাশ করে আইএমডি। সেখানে ১৩টি দেশ থেকে ১৩টি করে নাম নির্বাচিত হয়। নতুন তালিকায় ঢোকানো হয় পূর্ববর্তী তালিকার একটিমাত্র নাম ‘আম্ফান’। কারণ নতুন তালিকা প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো ঘূর্ণিঝড়ের সময় এই নামটি ব্যবহৃত হয়নি।
[৭] বিভিন্ন সময়ে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম হচ্ছে, সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, মোরা, নার্গিস, ফণী ও বুলবুল ইত্যাদি। সম্পাদনা: সিরাজুল ইসলাম




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]