• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » [১]ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আম্ফানের তান্ডব [২]সুন্দরবনে আঘাত [৩]হাজারো বাড়িঘর বিধ্বস্ত


[১]ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আম্ফানের তান্ডব [২]সুন্দরবনে আঘাত [৩]হাজারো বাড়িঘর বিধ্বস্ত

আমাদের নতুন সময় : 20/05/2020

আসিফুজ্জামান পৃথিল : [৪] ভারতের রাজ্যটিতে এই পর্যন্ত তিনজন মারা গেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে। এদের একজন উত্তর ২৪ পরগণার, আরেকজন মেদেনীপুরের। উড়িশ্যায় আঘাত না হানলেও এই রাজ্যটিরও যথেষ্ঠ ক্ষতি করেছে আম্ফান। এনডিটিভি, আনন্দবাজার
[৫] দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে হয়েছে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের অবস্থাও ভয়াবহ। হাজারে হাজারে কাঁচাবাড়ি, গাছপালা ভাঙার খবর পাওয়া গেছে। বাস্তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এর কতগুণে গিয়ে দাঁড়াবে, সেটাই প্রশাসন-সহ সকলেরই দুশ্চিন্তার বিষয়।
[৬] গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ সুন্দরবনে আছড়ে পড়ে আম্ফান। আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণনের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার। এর প্রভাবে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ, হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি, হাসনাবাদ, হাড়োয়া-সহ আশেপাশে এলাকার কমপক্ষে ৫২০০ টি মাটির বাড়ি ভেঙেছে বলে জানিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাপ্রশাসক।
[৭] উপকূল এলাকায় সমুদ্রে বেড়েছে জলোচ্ছ্বাস। ঝড়ের দাপট বিকেলের পর থেকে আরও বাড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
[৮] সকাল থেকেই ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গে। পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ের দাপটও বাড়তে থাকে। দিঘায় সকাল থেকেই সমুদ্র উত্তাল। প্রবল জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়। গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জায়গায় কাঁচাবাড়ি ভেঙে যায়। সমুদ্রবাঁধও কিছু জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]