[১]রেন্টাল বিদ্যুৎ পদ্ধতি বাতিলের দাবি টিআইবির

আমাদের নতুন সময় : 21/05/2020

রায়হান রাজীব : [২] গতকাল এক বিবৃতিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশাল বাংলাদেশ জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, দেশের বিদ্যুৎ সক্ষমতার একটি বড় অংশ বর্তমানে অলস বসে থাকায় ২০২০ সালের এপ্রিল-জুন পর্যন্ত এ খাতে মোট ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হবে।
[৩] সম্প্রতি লন্ডনভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনোমিকস ফাইনান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাহিদার চেয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বেশি স্থাপন করায় সরকারকে ৫৭ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস বসিয়ে রাখতে হচ্ছে।
[৪] কোভিড-১৯ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে অব্যবহৃত বিদ্যুৎ সক্ষমতার অপচয়বাবদ এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। এঅবস্থায় বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে সরকারের কাছে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
[৫] সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে, দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ আইন ২০১০ বাতিল করতে হবে এবং পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লান-২০১৬ নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে।
[৬] তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তির আলোকে সরকার প্রতিশ্রুত ২০৫০ সাল নাগাদ পরিবেশবান্ধব এবং আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী ১০০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সম্পাদনা :ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]