কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ডা. তারেক আলমের যুক্তিসমূহ

আমাদের নতুন সময় : 22/05/2020

মোহাম্মদ আলী বোখারী, টরন্টো থেকে : করোনাভাইরাস নিরাময়ে ডোক্সিসাইক্লিন ও ইভারমেকটিনের যুগপৎ ব্যবহার একটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতির উন্মেষ ঘটিয়েছে। সেটাই দাবি করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তারেক আলমের নেতৃত্বাধীন দল। এতে তাদের রয়েছে পাঁচটি যৌক্তিক দিক।
এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তারেক আলম বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার মনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. কাইলি ওয়েগস্টাফ ইভারমেকটিনের উচ্চতর ডোজ প্রয়োগ করেছেন, আমরা সেখানে চলতি প্রতিষেধক ডোজটি ব্যবহার করে যাচ্ছি, প্রয়োজনে যা বাড়ানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডোক্সিসাইক্লিনের যুগপৎ প্রয়োগ অ্যাজিথ্রোমাইসিনের চলতি প্রভাবকে দূরীভূত করে। তার কারণ- ১) হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা; ২) টেট্রাসাইক্লিন সমূহ (টেট্রাসাইক্লিন, মিনিসাইক্লিন, ডোক্সিসাইক্লিন) করোনা জীবাণুর চর্বি দ্রবীভূত প্রক্রিয়ায় দস্তার একাধিক যৌগিক অণুর আয়ুষ্কাল হ্রাসসহ কোষের অনুপ্রবেশ, কোষের পরিপূরণ বা ব্যুপত্তিতে দস্তা সঙ্কটপূর্ণ ভূমিকা রাখে; ৩) ডোক্সিসাইক্লিন সাইটোকিনের প্রদাহ হ্রাস কিংবা নিরোধক হিসেবে কার্যকর; যেমন- টিএনএফ আলফা, আইএল – ১ বেটা ও আইএল ৬-এর জন্য স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ প্রতিষেধক। কারণ, এই সাইটোকিনগুলো প্রলয়ংকরী; ৪) যেহেতু কোভিড-১৯ জীবাণুর বর্হিদেশে চর্বির প্রলেপ থাকে, সেহেতু টেট্রাসাইক্লন তা দ্রবীভূত করে এবং ফুসফুসের টিস্যুতে ঘনীভূত হওয়া থেকে নিউমোনিয়া ও এআরডিএস (অ্যাকুউট রেসপাইরেটরি ডিসট্রেস সিন্ড্রোম) প্রতিরোধ করে এবং ৫) সর্বোপরি, তা মূল্যসাশ্রয়ী।’




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]