[১]কম্পিউটার কোডিংয়ে নারীর স্বর্ণালী ইতিহাস

আমাদের নতুন সময় : 23/05/2020

লাবিবা নাঈম খান : [২] কম্পিউটারে বসে স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়, বিধায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই প্রোগ্রামিংকে নারী বান্ধব পেশা বিবেচনা করা হয়। সেসময় কম্পিউটার প্রোগ্রামিংকে এমন এক পেশা বিবচনা করা হতো, যেটাতে খুব বেশি দক্ষতা লাগে না এবং অর্থও কম। নিউ ইয়র্ক টাইমস [৩] এসব কারণে এই পেশায় লিঙ্গ বৈষম্য ছিলো খুবই কম। ১৯৪০ এর দশকে প্রথমদিকের কম্পিউটার তৈরি হচ্ছিল। আমেরিকায় ইলেক্ট্রিক কম্পিউটার পরিচিত ছিলো এনিয়াক নামে। এটি প্রোগ্রাম করেছিলেন, সেনাবাহিনী নিযুক্ত ৬ নারী প্রোগ্রামার। [৪] গ্রেস হপার ছিলেন জেষ্ঠ্য গণিতবীদ। অভিনেত্রী হেডি ল্যামার একজন উদ্ভাবকও ছিলেন। তার তৈরি প্রযুক্তি ব্যবহার হতো মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রে। এই প্রযুক্তি এখন ব্যাপকভাবে মোবাইল ফোন ও ওয়াইফাইতে ব্যবহার হয়। [৫] এই ৬ জনকে কোনও বায়োডেটা ছাড়াই নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। এমনকি সবার তখনও ¯œাতকও শেষ হয়নি যুদ্ধের কারণে। মেরি অ্যালেন সেসময় আইন পড়ছিলেন। কিন্তু শুধুমাত্র একটি অ্যাপটিটিউড পরীক্ষায় পাশ করেই এমআইটি তাকে নিয়োগ দেয়। [৬] ৬০ ও ৭০ এর দশকে এই পেশায় নারীর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে। নেইল আর্মস্ট্রং চাঁদে গিয়েছিলেন দুই নারী গণিতবিদের তৈরি অনবোর্ড প্রোগ্রামের সহায়তায়। ৮০ এর দশকে প্রোগ্রামিং পড়ছেন এবং শিক্ষার্থীদের ৩৭ শতাংশই ছিলেন নারী। ১৯৭১ সাল থেকে এই পেশাকে দক্ষ জনবলের পেশা বলে বিবেচনা করা হতে থাকে। [৭] বর্তমান সময়ে, কম্পিউটার বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের মাত্র ১৮ শতাংশ নারী। আর কর্মীদের মাত্র ১৬ শতাংশ নারী।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]