[১]করোনাকালে ঈদে স্থবির অর্থনীতি

আমাদের নতুন সময় : 25/05/2020

প্রিয়াংকা : [২] গত কয়েক বছরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদকে ঘিরে বাণিজ্য হয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা। এবার সেটি কমে গেছে তিন চর্তুথাংশ। ধারণা করা হচ্ছে, এবার কেনা-বেঁচা হতে পারে ৫ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার মতো।
[৩] মানুষের হাতে নগদ টাকার অভাব, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সরবরাহ বিভ্রাটসহ নানা কারণে এবার ধস নেমেছে বিক্রিতে। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কারণে মানুষ কাঁচা বাজারে যেতে পারছে না। আবার শপিংমল সব জায়গায় নেই। থাকলেও সেখান থেকে সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের ক্রয় করার ক্ষমতা নেই।
[৪] অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুনুর রশীদ জানান, বিশে^র অন্যান্য মুসলিম দেশে ঈদের মধ্যেও কার্ফিও জারি করা আছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে মসজিদে যাওয়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। সুতরাং সেসব দেশে ঈদকে ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পূর্ণরূপে বন্ধ।
[৫] পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ায় লক ডাউন কিছুটা শিথিল করা হয় কেনাকাটার জন্য। কিন্তু জনগণের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় অধিকাংশই বের হয়নি। ফলে জমেনি ঈদ কেন্দ্রীক বাণিজ্য।[৬] তবে বিকল্প উপায় হিসেবে শপিংমলের ব্যবসায়ীরা হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা করে বিক্রি বাড়াতে পারতো। কিন্তু দোকান মালিক সমিতি থেকে জানানো হয়েছে, তাদের যে লোকবল এতে মাত্র ১০ ভাগ হোম ডেলিভারি তারা দিতে পারবে।[৭] আমাদের দেশের যে অবস্থা সেখানে জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয়রতা আনতেই হবে। মানুষ যদি আবার কাজে ফিরে যেতে পারে তাহলে আমাদের প্রণোদনাও লাগবে বলে মনে হয় না। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি এমনিতেই চাঙ্গা হয়ে আছে। ধান-সবজিসহ এবার সকর উৎপাদন ভালো হয়েছে।
[৮] তবে পরিবহন সংকটে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা যাচ্ছে না। ঢাকায় পণ্য সামগ্রী আসতে পারছে না। তাই ঢাকার বাজারগুলো এখনও জমে উঠেনি।
[৯] স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধারণ শ্রমজীবীরা যদি আবার তাদের কাজ শুরু করতে পারে তাহলে আমাদের অর্থনীতি পূর্বরূপে ফিরবে। আর এই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সূত্র : একাত্তর টিভি




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]