• প্রচ্ছদ » » করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এখনো আগের মতোই আছে


করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এখনো আগের মতোই আছে

আমাদের নতুন সময় : 30/05/2020

মুনশি জাকির হোসেন

সরকার দোকানপাট, হাটবাজার, পরিবহন চালু করছে আপনার/আপনাদের পঙ্গপালের মতো বাইরে আসার জন্য না। সরকার এটি করছে অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। অর্থ্যাৎ, করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এখনো আগের মতোই আছে। এখন আপনার উচিত নিজেকে সতর্ক রাখা, নিজ পরিবারের শিশু/বয়স্কদের নিরাপদে রাখা, পরিবারে যাদের ক্যান্সার/ডায়াবেটিস/হার্টের সমস্যা-সহ বিভিন্ন রোগ আছে তাদের নিজ নিজ দায়িত্বে নিরাপদে রাখা। সবকিছু চালু হলেই ভাইরাসের বিস্তার ঘটবে এটি স্বাভাবিক হিসাব। এরজন্য সরকারের দোষ না দিয়ে নিজের সুরক্ষা নিজে করুন। সরকার একটি প্রজ্ঞাপন দিয়েই দায়িত্ব শেষ করছে, বিষয়টি এমন না করে সকল মিডিয়াতে এই স্বাস্থ্য বিধির প্রজ্ঞাপন বাধ্যতামূলক প্রচার করার ব্যবস্থা করবে এটিই প্রত্যাশিত। দ্বিতীয় ধাপে ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে গেলে সরকার কি কি করবে সেটিও প্রচার করা উচিত। হাসপাতালের ক্যাপাসিটি কতো, প্রতিদিন কতোজনকে টেস্ট করা হচ্ছে, করা হবে সে বিষয়েও আরোও তথ্য প্রচার করা উচিত। সমস্যা হলো, সরকার খুবই ধীরগতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
[২] সরকারি ছুটি আর বৃদ্ধি হবে না বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় থেকে জানানো হয়েছে। এটি অনেক বিলম্বের ভালো সিদ্ধান্ত। তবে একই সাথে আরও কিছু ঘোষণা দরকার ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সরকারের শেষ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। বিশেষ ঘোষণা দিয়ে ৭ দিনই অফিস, আদালত, কলকারখানা চালু রাখার ব্যবস্থা করা উচিত। এখানে রেশনিং করে বলে দেওয়া উচিত কোন অফিস কতক্ষণ খোলা থাকবে। কিছু অফিস সকাল ৮টায় শুরু করে ৩টায় শেষ করতে পারে, কিছু অফিস ১১টায় শুরু করে ৬টায় শেষ করতে পারে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক লেনদেনকারী ব্যাংক, বন্দর খোলা রাখা, রবিবার বন্ধ রাখা। শুক্রবার এবং শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় গুলো চালু করা, শপিং মল গুলোর জন্যও ২৪ ঘণ্টা রেশনিং করে চালু করার ব্যবস্থা করা। এগুলো করলে সামাজিক/শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব, অহেতুক ভিড়/লোক সমাগম পরিহার করা সম্ভব। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]