• প্রচ্ছদ » » বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে অল্প একটা অংশ সিরিয়াসভাবে অসুস্থ হচ্ছেন


বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে অল্প একটা অংশ সিরিয়াসভাবে অসুস্থ হচ্ছেন

আমাদের নতুন সময় : 30/05/2020

রুমি আহমেদ

আমরা যদি এসিম্পটোমেটিক এবং খুব মাইল্ড সিম্পটম যাদের হচ্ছে তাদের সবাইকে গোনার মধ্যে ধরিÑ এনএকডোটালি আমার মোটাদাগে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে খুব অল্প একটা অংশ সিরিয়াসভাবে অসুস্থ হচ্ছেন। ওভারহেলমিঙ মেজরিটি ৩-৪ দিন জ্বর হয়েই ভালো হয়ে যাচ্ছেন। জানি না ডাটা ছাড়া এই মন্তব্য করা কতোটা ঠিক হচ্ছে, হয়তো বাংলাদেশের সিরিয়াস অসুখের পরিমাণ চায় না, নিউইয়র্ক বা লোম্বার্ডিয়ার চেয়ে কম হবে। বাংলাদেশে ওবেসিটির মাত্রা কম সেই কারণে কিনা জানি না। দেখা যাক আগামী দুসপ্তাহ কেমন যায়।
সবাই ইভারমেকটিন খাচ্ছেন/অনেকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন টাইপের ঔষধ খাচ্ছেন- এই অপ্রমাণিত ঔষধ গুলো খেয়ে যদি আপনি বা আপনার চিকিৎসক মানসিক স্বস্তি পান- তাহলে আমি আপনাদের খেতে ব্যারন করবো না। একটা ঔষধ ফিজিওলজিক্যাল/ সাইকোলজিকাল বিভিন্ন ভাবে কাজ করতে পারে। ভাইরাস ইনফেকশন সাধারণত এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। ঔষধ লাগে না। কোভিড এর বেলায় ও এই কথাটা প্রযোজ্য। তবে যদি একটা সহজপ্রাপ্য ঔষধ আপনি খেতে চানই- উপরের ঔষধ গুলোর চেয়ে ভালো ট্র্যাক রেকর্ড হচ্ছে একটি পুরাতন গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধের। কম্পিউটার মডেল স্টাডি তে ধারণা দিচ্ছে এই ঔষধ টা কাজ করতে পারে এই ভাইরাস এর বিরুদ্ধে, এইচএইভি ভাইরাস এর ঔষধ আবিষ্কারের আগে এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে ফেমোটিডিন/সিমেটিডিন টাইপের ঔষধ আশা জাগিয়েছিল। স¤প্রতি কোভিড এর বিরুদ্ধে এফিকেসি নিয়ে চায়না নিউইয়র্কে রেট্রোস্পেক্টিভ স্টাডি ফেভারেবল রেজাল্ট দিয়েছে। ফেমোটিডিন বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে পাওয়া যায়- সার্ভিপেপ, ফেমোটিড, ফেমোটিন, ইয়ামাডিন ইত্যাদি। ৪০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট দিনে চারটা করে খেতে পারেন – অবশ্য নিউ ইয়র্কে যে ট্রায়াল টা হচ্ছে – তারা অনেক হাই ডোজ ইউজ করচ্ছে- পিপিআই পূর্ববর্তী কালে আমরা জলিঙ্গার এলিসন সিনড্রোমের জন্য যেই ডোজ ইউজ করতাম- ডেইলি ৩৬০ এমজি। আর একটা ধারণা থেকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে – টেস্ট পজিটিভ হলেই হাসপাতালে ছুটার কোন দরকার নেই। আর অক্সিজেন রিকুইয়ারমেন্ট কমে দুই তিন লিটারে নেমে আসলেই দয়া করে অক্সিজেন নিয়ে বাড়ি চলে যান। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]