• প্রচ্ছদ » » লকডাউন কেটে গেলে নিরাপদ থাকবেন কীভাবে?


লকডাউন কেটে গেলে নিরাপদ থাকবেন কীভাবে?

আমাদের নতুন সময় : 30/05/2020

বিপ্লব পাল

সারস-কোভ-২ এমন কিছু মারাত্মক ভাইরাস নয়। যথেষ্ট প্রোটেকশন নিলে খুব বেশি সংক্রমণের ভয় নেই। ভারতের আবহাওয়া এবং ভারতীয়দের হাই বেস লেভেল ইমিউনিটির জন্য, ভারতে এই ভাইরাস খুব বেশি প্রাণ নিতে পারবে না। নেবে, তাদের যাদের হয়তো আলরেডি হার্ট ডিজিজ বা কিডনির সমস্যা আছে বা বয়স হয়েছে। কিন্তু ভারতে লকডাউন খুললে সমস্যা অন্যত্র। সেটা হচ্ছে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চললে ভাইরাস ছড়াবেই। এই যে শ্রমিকদের এক ট্রেনে করে নিয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে ভাইরাস ছড়াবেই। কারণ ট্রেনে ঢোকার মুখে, কার ভাইরাস আছে, কার নেই কেউ জানে না। এসব শ্রমিকরা রাজ্যে ফেরার পর সঙ্গে সঙ্গে তাদের গ্রামের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন করা উচিত এবং সরকারের উচিত তাদের খাবার যোগানোর। সমস্যা হচ্ছে কীভাবে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে মানুষ চলবে অথচ ভাইরাস ইনফেক্টেফড হবে না। একটা উপায় হচ্ছে ওজোন গ্যাসের ব্যবহার গাড়ির মধ্যে। তাতে আবার লোকজন অচৈতন্য হয়ে যেতে পারে। বেশি ওজন বাতাসে গেলে অন্য বিপত্তি। আল্টারনেটিভ হচ্ছে নাইট্রোজেন আয়োনাইজেশন-এটিও ৩০০ পিপিবি লেভেলে থাকলে বাতাস এবং সারফেসে যেসব অ্যাক্টিভ ভাইরাস কণা থাকে, তা দ্রæত শেষ করতে পারে। আরেকটা উপায় বাইরের বাতাস খুব দ্রæত সার্কুলেট করা গাড়ির মধ্যে এবং গাড়ির বাতাস দ্রæত বাইরে আনা। বর্তমানে অধিকাংশ গাড়ির এয়ার সার্কুলেশন খুব দুর্বল। আরেকটা সহজ উপায় সাইকেল চালানো। সকাল ৭-১০ পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি চালানো বন্ধ করে ওই সময় শুধু সাইকেল বা টুহুইলার চলুক। ওপেন এয়ারে সংক্রমণ হওয়ার চান্স খুব কম। খোদ ইংল্যান্ডে এর ট্রায়াল চলছে। ছাত্র জীবনে দৈনিক ৮-১২ কি.মি. সাইক্লিং করা কোনো ব্যপারই ছিলো না। কিন্তু সরকারকে ভাবতে হবে। কী কী সমাধান আছে লকডাউন খোলার। মাছ এবং সবজির বাজারে সংক্রমণের চান্স বেশি। এসব জায়গায় ভালো এক্সস্ট ফ্যান এবং ডাস্ট কালেকশনের ব্যবস্থা হোক। ভাইরাসের মোকাবেলাতে রাজনীতি কাম্য নয়। ভাইরাস তৃণমূল বিজেপি বোঝে না। তী কী প্রযুক্তির দরকার হবে, পাবলিক প্লেসে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা কমাতে? এগুলো নিয়ে দুমাস ধরে কাজ করছি এবং বেশ কিছু প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হলাম যা আগে জানতাম না। সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তি তৈরি করার ও স্কোপ আসছে। আমরা মেশিনসেন্স থেকে দুটো পেটেন্ট আলরেডি ফাইল করেছি। সবটাই কীভাবে পাবলিক প্লেসে ভাইরাস দ্রæত বধ করা যায় তাই নিয়ে। জুন মাসের মধ্যেই নতুন মেশিন বের করতে পারবো বলে মনে হয়। এখন পরীক্ষা চলছে। পৃথিবীর সর্বত্র হাসপাতালের মধ্যেই যেভাবে সংক্রমণ হচ্ছে তা খুব চিন্তার ব্যাপার। মার্কেট প্লেস, পাবলিক বাস/ট্রেন এগুলো থেকেই ভাইরাস সংক্রমণ হবে দ্রæত। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে ট্রেন বাস মার্কেট প্লেসের বাতাস সারফেস এগুলো ভাইরাসমুক্ত রাখা যায় (সম্ভাবনা অনেক কমানো সম্ভব) এবং এসব প্রযুক্তি ভারতেই তৈরি করা সম্ভব। দুর্ভাগ্য এই যে, এগুলো নিয়ে ভারতের শীর্ষ মহলে কোনো চিন্তাভাবনা নেই। মমতা মোদীকে দুষছে, মোদী রাজ্যপাল নামিয়ে পাল্টা গুঁতো দিচ্ছে। এই রাজনীতিবিদদের দেশের মাথায় বসালে এটাই সমস্যা। তারা রাজনীতিটাই বোঝে। আর সেটাই করে। তাতে দেশের লোকের কী উপকার হয় কে জানে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]