• প্রচ্ছদ » » নগরে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটছে, নগর পিতারা কি তা বুঝতে পারছেন?


নগরে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটছে, নগর পিতারা কি তা বুঝতে পারছেন?

আমাদের নতুন সময় : 01/06/2020

রবিউল আলম

করোনাভাইরাসে জনজীবন স্থবির, নগর পিতাদের দায়িত্ব গ্রহণে বিলম্ব। নগর সেবকের পরিপূর্ণতা এখনো লক্ষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিন নগরজীবন দুর্বিষহ হচ্ছে। ডেঙ্গু বিস্তার হচ্ছে বিরামহীন। পলিথিন নিষিদ্ধ হলেও উৎপাদন প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না, তার উপর ওয়ান টাইমস পেলেট, চায়ের কাপ, পানি গøাস যুক্ত হয়েছে। পরিছন্ন কর্মীদের বিরামহীন কর্ম নগরকে আবর্জনা মুক্ত করতে পারছে না। কোথায় বাধা বিপত্তি খোঁজার মানুষ নাই। নগর পিতাদের দায়িত্ব গ্রহণে বিলম্ব হলেও চেয়ার কিন্তু শূন্য ছিলো না। বাংলাদেশের রাজধানীর নাম ঢাকা, বৃটিশ শাসন অবসান হওয়ার পরে ঢাকাকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়, গরুর গাড়িতে মল-মুত্র ও ময়লা আবর্জনা নিরাময় করা হতো।
এখন আর সেই অবস্থায় নাই, আধুনিক ঢাকাকে নতুন রূপে রূপান্তর করা লক্ষে মিউনিসপ্যাল কর্পোরেশন, সিটি কর্পোশনে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ঢাকার আয়তনও বিস্তর হয়েছে। দেশের একাধিক সিটি কর্পোরেশন হলেও নতুন নতুর রোগের সঙ্গে মশাজনিত রোগ ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বিস্তর লাভ করেছে। গতবার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলতে বাধ্য হয়েছে, মশা নিয়ে আমি কোনো কথা শুনতে চাই না, মেয়রদের উদ্দেশ্য করে এমন কথা আর কখনো বলতেও জাতি শুনেনি। করোনার সাথে ডেঙ্গু যুক্ত হলে, জাতি কোন পথে এগোবে? কী হবে, জাতির সামনে কী ভয়াবহ অবস্থার কথা আমরা আর ভাবতে চাই না। সময় থাকতে নগর পিতাদের ভাবতে হবে, কার্যক্রম জোরদার করতে না পারলে, নগরজীবন হবে ভয়াবহ।
সরকার ওয়ান টাইমস ব্যবহার সামগ্রী ও পলিথিন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। জনগণকে সচেতন হতে হবে পলিথিন, ফুলেরটব, জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত বাড়ি, মশার জন্ম স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। সম্মিলিত গণজাগরণ সৃষ্টি করতে না পারলে, পরিষ্কার-পরিছন্ন অভিযানে ব্যর্থ হলে, আগামী দিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে দেশ ও জাতির অনুমান করাও কঠিন হবে।
লেখক : মহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]