• প্রচ্ছদ » » লকডাউনে বাসভাড়া : জনসাধারণের স্বার্থটা সরকার বিবেচনা করুক


লকডাউনে বাসভাড়া : জনসাধারণের স্বার্থটা সরকার বিবেচনা করুক

আমাদের নতুন সময় : 01/06/2020

শঙ্কর মিত্র

বাস-মিনিবাসের ৫০ শতাংশ আসন ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই কার্যকর হবে না। আগাম বলে রাখলাম। আমাদের পরিবহন মালিক শ্রমিকদের চেনা আছে। অর্ধেক প্র¯্রাব করে বাকিটা যেমন আটকে রাখা যাবে না এটাও তেমনি। কাপড় নষ্ট হবে, কিডনি নষ্ট হবে। ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্তও তুঘলকি সিদ্ধান্ত। এর চেয়ে পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে লাভ হতো। প্রতিটি যানবাহন থেকে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে প্রতি ট্রিপে যে ৭০ টাকা করে (৪০ টাকা মালিক সমিতি ৩০ টাকা শ্রমিক ইউনিয়ন) আদায় করা হয় তা বন্ধ করা জরুরি। এই খাতে বছরে চাঁদা ওঠে ২ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা যে লুটপাট হয়, নেতাদের পকেটে যায় তা এবার স্পষ্ট প্রমাণ হলো। গত ৩ মাস ধরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে কোনো টাকা খরচ করা হয় নি। বেশিরভাগ মালিকও কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। এ টাকার ভাগবাটোয়ারা হয় খান-রাঙ্গাদের সিন্ডিকেটের মধ্যে। ভাগ যায় বিভিন্ন পাওয়ার হাউজে। এ ছাড়াও ঘাটে ঘাটে পুলিশ, পাতিনেতাদের চাঁদাবাজিতো আছেই। যদি সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালাতেই হয় তা হলে এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করলে ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর দরকার পড়বে না বলে আমি মনে করি। জনসাধারণের স্বার্থটা সরকার বিবেচনা করুক অন্তত এটা চাই। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]