• প্রচ্ছদ » » ২০০১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর অদ্যাবধি শিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘটেছে, নাকি অবনমন হয়েছে?


২০০১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর অদ্যাবধি শিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘটেছে, নাকি অবনমন হয়েছে?

আমাদের নতুন সময় : 03/06/2020

শেখ আদনান ফাহাদ

দশবার ভেবে এই পোস্ট লিখতে বসলাম। কারণ বুঝতে পারছিলাম না, আবারও বিষয়টি উল্লেখ করে পাবলিকের ‘হাহা’ রিয়েক্ট পাবো কিনা? এর আগে ভালোবাসা পেয়েছি। ফলোআপ বলতে পারেন। আমি বোর্ডে ‘স্ট্যান্ড’ করা নিয়ে বলছিলাম। আমি নিজের ঢোল পেটানোর জন্য এ বিষয়ের পুনরায় অবতারনা করছি না (প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দিন)। আমি দেখতে পেয়েছি বোর্ড স্ট্যান্ড কী জিনিস এটা অনেকেই জানে না। পুরা বোর্ডে যে ২০ জনের একজন, এটাই জুনিয়র অনেকে বুঝতে পারছেন না, বিষয়টি দুঃখজনক হলেও আমি দুঃখ পাইনি, অতীত নিয়ে গর্ব করে বর্তমানকে জটিল করার লোক আমি নই। যাইহোক, গত অনেকগুলো বছর ধরে সিজিপিএ ভিত্তিক রেজাল্ট দেওয়া হয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও সিজিপিএ-ভিত্তিক রেজাল্ট পদ্ধতি ছিল না। ১০০ এর মধ্যে ৬০ পাওয়া মানে প্রথম বিভাগ। আর এখন ১০০ তে ৬০ পাইলে খুব খারাপ রেজাল্ট। আমার প্রশ্ন, ২০০১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর অদ্যাবধি শিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘটেছে নাকি অবনমন হয়েছে?
নির্বাচিত মন্তব্য : সৈয়দ রিয়াদ- লেখাপড়ার একটা উন্নয়ন সূচক দাড়াইছে, যেখানে রাজনীতিকরণ হচ্ছে, সরকারগুলোকে পাসের হার দিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা ভালো শাসক। বেশি জিপিএ দিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা ভালো। আর সৃজনশীল কোনো শিক্ষা পদ্ধতির সিস্টেম হইতে পারে সেটাও আমার জানা নেই, মানুষকে সৃজন শেখাতে হয় না, প্রাকৃতিক। কিন্তু দুঃখজনক হইলো আমরা সৃজনের নার্সারী খুলে বসছি। আমাদের লেখা পড়া পদ্ধতিটা শতভাগই ভাগই ভুল। লেখাপড়া নিয়া রাষ্ট্রেরে চিন্তা নেই রাষ্ট্রের চিন্তা বিসিএস দিয়ে কিছু তথাকথিত মেধাবী আবষ্কারের, ফলে দেশের সকল সমস্যা সমাধান করতে হয় কেন্দ্র থেকে। ডাক্তার, পুলিশ, আমলা সব সমস্যাই যদি একজন সমাধান করেন তাহলে এই রাষ্ট্র তো ভুয়া। একটা রেপ কসেরে জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাওয়া লাগে কতো ফালতু রাষ্ট্র হলে। আসলে এক বিষেয়ে লিখেতে গিয়ে কমেন্ট যে কোথায় গড়ালো বুঝতেই পারিনি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]