[১]নিম্ন আদালতের শুনানি ভার্চুয়াল, বাকি সবই ম্যানুয়াল

আমাদের নতুন সময় : 28/06/2020

নূর মোহাম্মদ : [২] ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালতে একটি মামলায় জামিনের পুট আপ ই-মেইলে পাঠালাম। পরদিন মোবাইলে ফোন দিয়ে বললেন, আমি অতিরিক্ত মহানগর কোর্টের পেশকার। স্যার আপনি কি মামলার আজ শুনানি করবেন? আমি হ্যাঁ বলতেই বলল সাড়ে এগারটায় কোর্টে চলে আসুন। আমি তাকে বললাম বাসায় আছি, তাছাড়া কোর্ট গাউন চেম্বারে। এত অল্প সময়ে পৌঁছাতে পারবো না। তিনি বললেন, গাউন লাগবে না। আপনি সোজা কোর্টে আসুন। বিচারক আপনার মুখ দেখবে, গাউন না।
[৩] পৌঁছানোর পর পেশকার তার মোবাইল ফোন আমার দিকে এগিয়ে বলল শুনানি করুন। আমি তার মোবাইল ফোন দিয়ে শুনানি করলাম। জামিন পেলাম। পেশকারকে তার পাওনা বুঝিয়ে দিলাম। এভাবেই ভার্চুয়াল কোর্টে মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক কার্যকরি সদস্য অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু।
[৪] একটা বেইল পিটিশন করতে প্রথমে আমাকে জিআর শাখা থেকে দুদিন চেষ্টা করে নথি তুলতে হলো। এরপর বারের নির্দিষ্ট বুথ থেকে ওকালতনামা সংগ্রহ করে কারাগার থেকে স্বাক্ষরের জন্য ড্রেসপাস শাখার মাধ্যমে স্বাক্ষর করিয়ে আনলাম। পিটিশন রেডি করে বারের নির্ধারিত ফরমে দোকান থেকে প্রিন্ট দিলাম। এরপর জামিন আবেদন স্ক্যান করে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠালাম। এরপর শুনানির তারিখের জন্য অপেক্ষা। এসব বলছিলেন ঢাকা কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম।
[৫] কেবল আসাদুজ্জামান বা খাদেমুল ইসলাম নয়, সারা দেশের নি¤œ আদালতের আইনজীবীদের ভার্চুয়াল কোর্টের চিত্র এটি। ভার্চুয়াল বলা হলেও কোর্টে না গিয়ে কাজ করতে পারছেনা আইনজীবীরা। আর এতে নানা ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে তাদের। তাই স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করে নিয়মিত কোর্ট চালুর দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি খন্দার মাহবুব হোসেন ও সাবেক সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন মেহেদী।
[৬] তারা দুজন প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করলেও অনেক আইনজীবীই এতে একমত পোষণকরেছেন। তাদের মতে কেবল শুনানি ভার্চুায়াল পদ্ধিতে হলেও বাকি সব আগের মতো। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]