• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » [১]লাদাখের এলএসিতে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত [২]অধিক উচ্চতায় গোলন্দাজ বাহিনী কিভাবে ব্যবহার করা হবে জানতে আলোচনা করছেন জেনারেলরা [৩]হাতাহাতি লড়াইয়ের প্রস্ততিও নিচ্ছে দুই পক্ষ


[১]লাদাখের এলএসিতে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত [২]অধিক উচ্চতায় গোলন্দাজ বাহিনী কিভাবে ব্যবহার করা হবে জানতে আলোচনা করছেন জেনারেলরা [৩]হাতাহাতি লড়াইয়ের প্রস্ততিও নিচ্ছে দুই পক্ষ

আমাদের নতুন সময় : 30/06/2020

আসিফুজ্জামান পৃথিল : [৩] যুদ্ধ পর্যন্ত গড়াতে পারে লাদাখ উত্তেজনা। আলোচনার বিকল্প হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়েও হিসেব করছে ভারতের সেনা সদর। সাউথ ব্লকের একটি সূত্র ভারতীয় গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছে। ইকোনমিক টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
[৪] ১৭ জুন এই বিষয়ে আলোচনা করতে সকল কর্পস কমান্ডারকে ডেকে পাঠিয়েছিলো ভারতের সেনা সদর। যদিও দুই পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের আগ্রহ দেখিয়েছে, তবুও যুদ্ধের বিকল্প এখনই বন্ধ করতে আগ্রহী নয় ভারতের সেনা সদর।
[৫] একটি সূত্র জানিয়েছে, লেহ থেকে কিছুটা উত্তরে কয়েক ব্যাটারি রকেট, আর্টিলারি মোতায়েন করেছে ভারত। বেশ কিছু ধনুশ আর্টিলারি পিসও লাসার দিকে তাক করে রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে। চীনা বাহিনীও সেনা বাড়িয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে।
[৬] এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, বাগডোগরা বিমান ঘাঁটি কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক অবস্থানে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে ভারত। লেহ বিমানবন্দরের বেশ কিছু যুদ্ধবিমান প্রস্তুত আছে বলে জানা গেছে।
[৭] তবে এতো উচ্চতায় দীর্ঘমেয়াদগী যুদ্ধে অভিজ্ঞতা নেই আধুনিক কোনও সামরিক বাহিনীরই। অভিজ্ঞতার ঘটতি দূর করতে সিয়াচিন গ্লেসিয়ারের বাহিনীকে গালওয়ানে মোতায়েন করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এছাড়াও সেনা সদরে থাকা গোর্খা রেজিমেন্টকেও বলা হয়েছে যে কোনও সময় মার্চ করার প্রস্তুতি নিতে।
[৮] লড়াই হলে হাতাহাতি হতে পারে, এই সম্ভাবনায় ভারত বিহার রেজিমেন্টের কুস্তিগীরদের যেমন প্রস্তুত করছে, তেমনিভাবে চীনও শাওলিন থেকে বিশেষ মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক গালওয়ানে নিয়ে এসেছে। তারা পিএলএর সেনাদের হাতাহাতি লড়াইয়ের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। সম্পাদনা: ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]